মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই
জেটিভি নিউজ বাংলা ঢাকা | ১৯ জুলাই ২০২৬ ইং | ৫:৫৫ মিনিট (বিকাল) রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে লাল চাঁদ হত্যা মামলার এক আসামি বিচারিক আদালতের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। এ কারণে মামলার নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আলমগীরের আদালতের প্রতি অনাস্থা জানান মামলার আসামি মাহমুদুল হাসান মাহিন। তার পক্ষে আইনজীবী মাশরুর হোসাইন সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক। আসামিপক্ষের আইনজীবী মাশরুর হোসাইন জানান, গত ১২ জুলাই অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ভারী বৃষ্টির কারণে তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি মামলার সাত আসামির পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দাবি, একদিন সময় না দিয়েই অভিযোগ গঠন করায় ওই আদালতের প্রতি তাদের আস্থা নেই। এ বিষয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে অনাস্থার আবেদন করা হয়েছে, যার শুনানি আগামী ২২ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, আদালতের প্রতি অনাস্থা জানানো হয়েছে উল্লেখ করে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। মামলার আসামিরা হলেন— মাহমুদুল হাসান মাহিন, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজিব ওরফে সজিব বেপারী, টিটন গাজী, তারেক রহমান রবিন, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু ওরফে অভি, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, জহির, ইমরান হোসেন, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, হোসেন চৌকিদার, জিয়াউদ্দিন রাজিব, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির এবং অপু দাস। তাদের মধ্যে ১০ জন কারাগারে, তিন জন জামিনে এবং বাকি আট জন পলাতক রয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকেলে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে ভাঙারি ও পুরোনো তারের ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে লাল চাঁদকে কংক্রিটের ব্লক দিয়ে মাথা ও শরীরে আঘাত করে হত্যা করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া এবং এর নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের অনেকেই পূর্বপরিচিত ছিলেন। তাদের কয়েকজন একসময় সোহাগের ব্যবসায়িক সহযোগীও ছিলেন। ব্যবসায়িক বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে প্রথমে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও ত্রুটি-বিচ্যুতির বিষয় উল্লেখ করে তদন্ত কর্মকর্তা অধিকতর তদন্তের আবেদন করেন। আদালত গত ২০ জানুয়ারি সেই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হলে কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ পুনর্তদন্ত শেষে গত ১০ মে ২১ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার শুরুর জন্য গত ২১ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন। জেটিভি নিউজ বাংলাদেশ ও দশের কথা বলে....

স্টাফ রিপোর্টার 





















