ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

তিন বছরেও চালু হয়নি কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা, ২৯ বছরের জন্য ইজারা দিচ্ছে সরকার

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২ জুলাই ২০২৬ ইং,সময়:সকাল ১০:৪৪ মিনিট। 

তিন বছরেও চালু হয়নি কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা, ২৯ বছরের জন্য ইজারা দিচ্ছে সরকার

চট্টগ্রাম | কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত টানেল প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গড়ে তোলা সাত তারকা (সেভেন স্টার) মানের বিলাসবহুল অতিথিশালা নির্মাণের তিন বছর পার হলেও এখনও চালু হয়নি। নির্মাণের পর থেকে খালি পড়ে থাকা এই অতিথিশালায় এখন পর্যন্ত কোনো অতিথির পদচারণা হয়নি। প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি টানেলের আর্থিক ক্ষতির প্রেক্ষাপটে অতিথিশালাটি ২৯ বছরের জন্য বাণিজ্যিকভাবে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে টেন্ডার আহ্বান করেছে। সর্বোচ্চ দরদাতা পাবেন পরিচালনার দায়িত্ব। সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট আয়তনের আধুনিক ও সুসজ্জিত এই বাংলোতে রয়েছে ছয়টি কক্ষ, একটি সুইমিংপুল এবং আন্তর্জাতিক মানের নানা সুযোগ-সুবিধা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে অতিথিশালাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তাঁর অবস্থানের কথা বিবেচনায় রেখেই প্রকল্পের কর্মকর্তারা এটি পরিকল্পনা করেছিলেন। অতিথিশালার পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে আরও ৩০টি রেস্টহাউস। সেতু বিভাগ জানায়, প্রায় তিন বছর আগে অতিথিশালার নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। অতিথিশালা নির্মাণে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় সরকার এটিকে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনার জন্য ২৯ বছরের লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। কর্ণফুলী টানেল ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে চালু হলেও প্রত্যাশিত যানবাহন চলাচল না হওয়ায় টোল আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। টানেল চালুর আগে প্রতিদিন ১৭ হাজার ২৬০টি যানবাহন চলাচলের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও বর্তমানে দৈনিক গড়ে চলাচল করছে মাত্র ৩ হাজার ৮৭৮টি যানবাহন। অর্থাৎ সমীক্ষায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সাত ভাগের এক ভাগ।

আয়ের তুলনায় ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ

টানেল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টানেল থেকে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হচ্ছে প্রায় ১১ লাখ ২২ হাজার টাকা। অথচ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৩ লাখ টাকা। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যয় কমিয়ে ২৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা হলেও এর আগে দৈনিক ব্যয় ছিল প্রায় ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২৯ জুন পর্যন্ত টানেল দিয়ে মোট ৩৭ লাখের বেশি যানবাহন চলাচল করেছে। এই সময়ে টোল বাবদ আয় হয়েছে প্রায় ১০৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ দৈনিক গড়ে আয় ১১ লাখ টাকার কিছু বেশি হলেও ব্যয় তার প্রায় দ্বিগুণ। পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত বিস্তৃত এই টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। চীনা ঋণ এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)। বর্তমানে টোল আদায় ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের হাতেই রয়েছে।

অতিথিশালা ও সার্ভিস এরিয়ায় যা রয়েছে

টানেল প্রকল্পের দক্ষিণ প্রান্তে আনোয়ারার পারকি খালের পাশে প্রায় ৭২ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে সার্ভিস এরিয়া। প্রকল্পের শুরুতে এই সার্ভিস এরিয়া না থাকলেও পরে এটি যুক্ত করা হয়। সার্ভিস এরিয়ায় অতিথিশালা ও রেস্টহাউস ছাড়াও রয়েছে টানেলের একটি রেপ্লিকা, আধুনিক সম্মেলনকেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হেলিপ্যাড, মসজিদ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে নির্মিত একটি জাদুঘর। পুরো এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ টন ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা।

কাছেই নির্মাণ হচ্ছে পর্যটন কমপ্লেক্স

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকতের পাশে ১৩ একরের বেশি জমিতে প্রায় ৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি অত্যাধুনিক পর্যটন কমপ্লেক্স নির্মাণাধীন রয়েছে। এটি টানেলের অতিথিশালা থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ১০টি সিঙ্গেল কটেজ, চারটি ডুপ্লেক্স কটেজ এবং তিনতলা একটি বহুমুখী ভবন। এছাড়া থাকবে হ্রদ, শিশুদের বিনোদনকেন্দ্রসহ বিভিন্ন পর্যটন সুবিধা।

সেতু কর্তৃপক্ষ যা বলছে

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ রজব আলী বলেন, অতিথিশালাটি নির্মাণের পর থেকে এখনও চালু করা হয়নি। এটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নেই। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ২৯ বছরের ইজারা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত দরপত্র জমা নেওয়া হবে। এরপর সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ২৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হবে।   জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.... 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

তিন বছরেও চালু হয়নি কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা, ২৯ বছরের জন্য ইজারা দিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২ জুলাই ২০২৬ ইং,সময়:সকাল ১০:৪৪ মিনিট। 

তিন বছরেও চালু হয়নি কর্ণফুলী টানেলের বিলাসবহুল অতিথিশালা, ২৯ বছরের জন্য ইজারা দিচ্ছে সরকার

চট্টগ্রাম | কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত টানেল প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গড়ে তোলা সাত তারকা (সেভেন স্টার) মানের বিলাসবহুল অতিথিশালা নির্মাণের তিন বছর পার হলেও এখনও চালু হয়নি। নির্মাণের পর থেকে খালি পড়ে থাকা এই অতিথিশালায় এখন পর্যন্ত কোনো অতিথির পদচারণা হয়নি। প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি টানেলের আর্থিক ক্ষতির প্রেক্ষাপটে অতিথিশালাটি ২৯ বছরের জন্য বাণিজ্যিকভাবে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে টেন্ডার আহ্বান করেছে। সর্বোচ্চ দরদাতা পাবেন পরিচালনার দায়িত্ব। সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট আয়তনের আধুনিক ও সুসজ্জিত এই বাংলোতে রয়েছে ছয়টি কক্ষ, একটি সুইমিংপুল এবং আন্তর্জাতিক মানের নানা সুযোগ-সুবিধা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে অতিথিশালাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তাঁর অবস্থানের কথা বিবেচনায় রেখেই প্রকল্পের কর্মকর্তারা এটি পরিকল্পনা করেছিলেন। অতিথিশালার পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে আরও ৩০টি রেস্টহাউস। সেতু বিভাগ জানায়, প্রায় তিন বছর আগে অতিথিশালার নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এটি চালু করা সম্ভব হয়নি। অতিথিশালা নির্মাণে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় সরকার এটিকে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনার জন্য ২৯ বছরের লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। কর্ণফুলী টানেল ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে চালু হলেও প্রত্যাশিত যানবাহন চলাচল না হওয়ায় টোল আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। টানেল চালুর আগে প্রতিদিন ১৭ হাজার ২৬০টি যানবাহন চলাচলের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও বর্তমানে দৈনিক গড়ে চলাচল করছে মাত্র ৩ হাজার ৮৭৮টি যানবাহন। অর্থাৎ সমীক্ষায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সাত ভাগের এক ভাগ।

আয়ের তুলনায় ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ

টানেল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টানেল থেকে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হচ্ছে প্রায় ১১ লাখ ২২ হাজার টাকা। অথচ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৩ লাখ টাকা। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যয় কমিয়ে ২৩ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা হলেও এর আগে দৈনিক ব্যয় ছিল প্রায় ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২৯ জুন পর্যন্ত টানেল দিয়ে মোট ৩৭ লাখের বেশি যানবাহন চলাচল করেছে। এই সময়ে টোল বাবদ আয় হয়েছে প্রায় ১০৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ দৈনিক গড়ে আয় ১১ লাখ টাকার কিছু বেশি হলেও ব্যয় তার প্রায় দ্বিগুণ। পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত বিস্তৃত এই টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। চীনা ঋণ এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)। বর্তমানে টোল আদায় ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের হাতেই রয়েছে।

অতিথিশালা ও সার্ভিস এরিয়ায় যা রয়েছে

টানেল প্রকল্পের দক্ষিণ প্রান্তে আনোয়ারার পারকি খালের পাশে প্রায় ৭২ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে সার্ভিস এরিয়া। প্রকল্পের শুরুতে এই সার্ভিস এরিয়া না থাকলেও পরে এটি যুক্ত করা হয়। সার্ভিস এরিয়ায় অতিথিশালা ও রেস্টহাউস ছাড়াও রয়েছে টানেলের একটি রেপ্লিকা, আধুনিক সম্মেলনকেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হেলিপ্যাড, মসজিদ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এবং চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে নির্মিত একটি জাদুঘর। পুরো এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ টন ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা।

কাছেই নির্মাণ হচ্ছে পর্যটন কমপ্লেক্স

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকতের পাশে ১৩ একরের বেশি জমিতে প্রায় ৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি অত্যাধুনিক পর্যটন কমপ্লেক্স নির্মাণাধীন রয়েছে। এটি টানেলের অতিথিশালা থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ১০টি সিঙ্গেল কটেজ, চারটি ডুপ্লেক্স কটেজ এবং তিনতলা একটি বহুমুখী ভবন। এছাড়া থাকবে হ্রদ, শিশুদের বিনোদনকেন্দ্রসহ বিভিন্ন পর্যটন সুবিধা।

সেতু কর্তৃপক্ষ যা বলছে

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ রজব আলী বলেন, অতিথিশালাটি নির্মাণের পর থেকে এখনও চালু করা হয়নি। এটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নেই। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ২৯ বছরের ইজারা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত দরপত্র জমা নেওয়া হবে। এরপর সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে ২৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হবে।   জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....