ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যাংক লুট করে আর ফিরে আসার সুযোগ নেই: এস আলম গ্রুপের পুনঃপ্রবেশের আইনি পথ বন্ধ বাজেটে স্বপ্ন দেখানো হয়, পরে সারা বছর সেই স্বপ্নভঙ্গের ফল ভোগ করতে হয়: রুমিন ফারহানা দুস্থ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডও দুদকের মাধ্যমে তদন্তের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বন থেকে আবাসিক এলাকায় বাড়ইপাড়া বন বিট: সরকারি জমি কেটে খাল নির্মাণ, প্রভাবশালীদের দখলের ক্ষমতার ভাগের সংস্কার নয়, স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার নিয়ে কথা বলুন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সংসদে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব,ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান মাহবুব উদ্দিন খোকনের মাদক অপরাধ দমনে ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রেখে সংসদে বিল, সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২০ ধারা বিলুপ্তির প্রস্তাব বিধ্বস্ত অর্থনীতির ওপর ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার দুঃসাহসী বাজেট’: সংসদে আলতাফ হোসেন চৌধুরী যুব উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংসদে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব,ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান মাহবুব উদ্দিন খোকনের

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২৮ জুন ২০২৬ ইং, রবিবার | সময়: বেলা ১২:৩০ মিনিট।

সংসদে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব,ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান মাহবুব উদ্দিন খোকনের

  সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জাতীয় সংসদে প্রচলিত ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজদের জমানো অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ এবং কালো টাকার উৎস বন্ধের লক্ষ্যে তিনি এই প্রস্তাব করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাংক রয়েছে উল্লেখ করে ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান জানান। রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বর্তমানে অনেক মানুষ ব্যাংকে অর্থ না রেখে নিজেদের বাড়িতে নগদ টাকা সংরক্ষণ করছেন। এছাড়া যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, তারাও বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রেখে গেছেন। তাই সরকার যদি এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই অর্থ আবার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে এবং দেশের আর্থিক খাতে তারল্য বাড়বে। তিনি বলেন, যাদের টাকার বৈধ উৎস দেখানোর সুযোগ নেই, তাদের নির্দিষ্ট হারে—২০ থেকে ২৫ শতাংশ কর পরিশোধের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা হবে, ব্যাংকের আমানত বাড়বে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ আরও গতিশীল হবে। ব্যাংকিং খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাংক রয়েছে। তিনি বলেন, "এমপি হলেই একটা ব্যাংক লাগবে, নেতা হলেই একটা লিজিং কোম্পানি লাগবে—এ সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। এত ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। জনগণের টাকা দিয়ে দুর্বল ব্যাংক টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।" তাই ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার আহ্বান জানান তিনি। অর্থ পাচারের বিষয়ে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বারবার বলা হলেও বাস্তবে উল্লেখযোগ্য কোনো অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হয়নি। তার মতে, "অর্থ যেখানে নিরাপদ মনে হয়, সেখানেই চলে যায়।" তাই শুধু বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করলেই হবে না, বরং দেশে এমন একটি আর্থিক ও আইনি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে মানুষ নিজের অর্থ দেশের ভেতরেই নিরাপদ মনে করে এবং বিদেশে পাচারের প্রবণতা কমে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করেছে। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, যুবকদের প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের বিভিন্ন উদ্যোগ রাখা হয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। প্রসঙ্গত, মাহবুব উদ্দিন খোকনের এই প্রস্তাবের সঙ্গে ভারতের ২০১৬ সালের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের মিল রয়েছে। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আকস্মিকভাবে দেশটির প্রচলিত ৫০০ ও ১,০০০ রুপির নোটের আইনগত বৈধতা বাতিলের ঘোষণা দেন। সে সময় এই দুটি নোট দেশটির মোট প্রচলিত নগদ অর্থের প্রায় ৮৬ শতাংশ ছিল। কালো টাকা, জাল নোট, সন্ত্রাসে অর্থায়ন দমন এবং নগদনির্ভর অর্থনীতিকে ব্যাংকিং ও ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর ফলে কয়েক মাসের মধ্যে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা পড়ে, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তারল্য বৃদ্ধি পায়, ডিজিটাল লেনদেন ও করদাতার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। তবে ভারতের এই উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া প্রায় ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ নোটই পরে ব্যাংকে জমা পড়ে। ফলে কালো টাকা উদ্ধারের মূল লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের বড় একটি অংশ প্রশ্ন তুলেছেন। একই সঙ্গে নোট সংকটের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনানুষ্ঠানিক খাত এবং সাধারণ মানুষের ওপর তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বলেও বিভিন্ন গবেষণা ও বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংক লুট করে আর ফিরে আসার সুযোগ নেই: এস আলম গ্রুপের পুনঃপ্রবেশের আইনি পথ বন্ধ

সংসদে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব,ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান মাহবুব উদ্দিন খোকনের

আপডেট সময় ১২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২৮ জুন ২০২৬ ইং, রবিবার | সময়: বেলা ১২:৩০ মিনিট।

সংসদে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব,ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান মাহবুব উদ্দিন খোকনের

  সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জাতীয় সংসদে প্রচলিত ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজদের জমানো অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ এবং কালো টাকার উৎস বন্ধের লক্ষ্যে তিনি এই প্রস্তাব করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাংক রয়েছে উল্লেখ করে ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান জানান। রবিবার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বর্তমানে অনেক মানুষ ব্যাংকে অর্থ না রেখে নিজেদের বাড়িতে নগদ টাকা সংরক্ষণ করছেন। এছাড়া যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, তারাও বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রেখে গেছেন। তাই সরকার যদি এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোট ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই অর্থ আবার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে এবং দেশের আর্থিক খাতে তারল্য বাড়বে। তিনি বলেন, যাদের টাকার বৈধ উৎস দেখানোর সুযোগ নেই, তাদের নির্দিষ্ট হারে—২০ থেকে ২৫ শতাংশ কর পরিশোধের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা হবে, ব্যাংকের আমানত বাড়বে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ আরও গতিশীল হবে। ব্যাংকিং খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাংক রয়েছে। তিনি বলেন, "এমপি হলেই একটা ব্যাংক লাগবে, নেতা হলেই একটা লিজিং কোম্পানি লাগবে—এ সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। এত ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। জনগণের টাকা দিয়ে দুর্বল ব্যাংক টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।" তাই ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার আহ্বান জানান তিনি। অর্থ পাচারের বিষয়ে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বারবার বলা হলেও বাস্তবে উল্লেখযোগ্য কোনো অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হয়নি। তার মতে, "অর্থ যেখানে নিরাপদ মনে হয়, সেখানেই চলে যায়।" তাই শুধু বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করলেই হবে না, বরং দেশে এমন একটি আর্থিক ও আইনি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে মানুষ নিজের অর্থ দেশের ভেতরেই নিরাপদ মনে করে এবং বিদেশে পাচারের প্রবণতা কমে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করেছে। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, যুবকদের প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের বিভিন্ন উদ্যোগ রাখা হয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে। প্রসঙ্গত, মাহবুব উদ্দিন খোকনের এই প্রস্তাবের সঙ্গে ভারতের ২০১৬ সালের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের মিল রয়েছে। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আকস্মিকভাবে দেশটির প্রচলিত ৫০০ ও ১,০০০ রুপির নোটের আইনগত বৈধতা বাতিলের ঘোষণা দেন। সে সময় এই দুটি নোট দেশটির মোট প্রচলিত নগদ অর্থের প্রায় ৮৬ শতাংশ ছিল। কালো টাকা, জাল নোট, সন্ত্রাসে অর্থায়ন দমন এবং নগদনির্ভর অর্থনীতিকে ব্যাংকিং ও ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর ফলে কয়েক মাসের মধ্যে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা পড়ে, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তারল্য বৃদ্ধি পায়, ডিজিটাল লেনদেন ও করদাতার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। তবে ভারতের এই উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া প্রায় ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ নোটই পরে ব্যাংকে জমা পড়ে। ফলে কালো টাকা উদ্ধারের মূল লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের বড় একটি অংশ প্রশ্ন তুলেছেন। একই সঙ্গে নোট সংকটের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনানুষ্ঠানিক খাত এবং সাধারণ মানুষের ওপর তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বলেও বিভিন্ন গবেষণা ও বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে....