মনিপুর স্কুলে সাড়ে ৬০০ কোটির ভয়াবহ আর্থিক কেলেঙ্কারি! নির্মাণে ৪৩৬ কোটির হিসাব নেই, ভ্যাট ফাঁকি, আত্মসাৎ ও নথি গায়েব—ডিআইএর বিস্ফোরক তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ : ০২ জুন ২০২৬ ইং| সময়: সন্ধ্যা ০:৬৪১ মিনিট। ঢাকা: রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে গত দেড় দশকজুড়ে ভয়াবহ আর্থিক অনিয়ম, রাজস্ব ফাঁকি, বিদ্যালয়ের তহবিল আত্মসাৎ, বিধিবহির্ভূত অর্থ লেনদেন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েবের বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির ২০০৯-২০১০ অর্থ বছর থেকে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের আয়-ব্যয়, নির্মাণকাজ, উন্নয়ন প্রকল্প, ক্যান্টিন ভাড়া, ম্যাগাজিন ফি, মুদ্রণ ব্যয়, যানবাহন ক্রয়, শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মানী এবং ভ্যাট-আয়কর পরিশোধসহ বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে এসব অনিয়মের সন্ধান পেয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর—ডিআইএ। সম্প্রতি মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ওপর তদন্ত পরিচালনা করে ডিআইএর সাত সদস্যের একটি দল। তদন্ত শেষে প্রতিবেদনটি ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া ডিআইএর তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আর্থিক অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ, কর ফাঁকি এবং জবাবদিহিহীন ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, যেসব ব্যয়ের ভাউচার পাওয়া যায়নি অথবা অনুমোদনপত্র ও হিসাব উপস্থাপন করা হয়নি, সেগুলো যুক্ত করা হলে অনিয়মের প্রকৃত পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক এম. এম সহিদুল ইসলাম জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, “মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের আর্থিক অনিয়মের প্রতিবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”নির্মাণ খাতে ৪৩৬ কোটি টাকার হিসাব নেই
ডিআইএর তদন্ত প্রতিবেদনে সবচেয়ে ভয়াবহ অনিয়ম হিসেবে উঠে এসেছে নির্মাণ ও উন্নয়ন ব্যয়ের হিসাব না থাকার বিষয়টি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯-২০১০ অর্থ বছর থেকে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছর পর্যন্ত মেরামত ও উন্নয়ন খাতে ৪৩৬ কোটি ১২ লাখ ৮ হাজার ৪৪২ টাকা ব্যয় দেখানো হলেও এই ব্যয়ের কোনো হিসাব, ভাউচার কিংবা অনুমোদনপত্র সংরক্ষণ করা হয়নি। তদন্তে জানা গেছে, ইব্রাহিমপুর শাখায় ৮ তলা ভবন, শেওড়াপাড়া শাখায় ৬ তলা ভবন, মূল বালক শাখায় ৭ তলা ভবন, রূপনগর শাখায় ১২ তলা হোস্টেল ভবন, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক ১২ তলা হোস্টেল ভবন এবং মূল বালিকা শাখায় ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এসব নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে কোনো টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি, অনুমোদিত নকশা, সয়েল টেস্ট রিপোর্ট, রাজউকের অনুমোদন, কার্যাদেশ, ব্যয় অনুমোদন কিংবা রেজ্যুলেশন দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লিখিত বক্তব্যে দাবি করেছেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন ও কমিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলেছে। কিন্তু তদন্ত কমিটি এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে।ভ্যাট ফাঁকি ও সরকারি রাজস্ব ক্ষতি ৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা
ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯-২০১০ থেকে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছর পর্যন্ত ঠিকাদার ও সরবরাহকারীদের বিল থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিধান অনুযায়ী ভ্যাট কর্তন করা হয়নি। ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ কোটি ৭৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা। তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে, ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে তার কপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।শিক্ষক-কর্মচারীদের অবৈধ ভাতা ৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাডেমিক উন্নয়ন ও নগর ভাতার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, একাডেমিক উন্নয়ন ভাতা হিসেবে ৬৩ কোটি ৪৬ হাজার ৪২৮ টাকা এবং নগর ভাতা হিসেবে ২৪ কোটি ৩৬ লাখ ৪০ হাজার ৭৩৬ টাকা, অর্থাৎ মোট ৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ডিআইএর ভাষ্য অনুযায়ী, এই ভাতাগুলো বিধিবহির্ভূতভাবে প্রদান করা হয়েছে এবং যাদের এই অর্থ দেওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে তা আদায় করে প্রতিষ্ঠানের তহবিলে ফেরত জমা দিতে হবে।নিজস্ব প্রিন্টিং প্রেস থাকার পরও ১১ কোটি টাকার মুদ্রণ ব্যয়
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের নিজস্ব প্রিন্টিং প্রেস থাকা সত্ত্বেও ২০১৭-২০১৮ থেকে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ও সিলেবাস মুদ্রণের নামে ১১ কোটি ৪৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭১২ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩ কোটি ১০ লাখ ৭৭ হাজার ১৬০ টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪ কোটি ৩২ লাখ ৩১ হাজার ৪৯৫ টাকা এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ কোটি ৮৩ লাখ ২১ হাজার ৩০৯ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। পরবর্তী বছরগুলোতেও আরও কয়েক কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হলেও কোনো বিল-ভাউচার উপস্থাপন করা হয়নি। তদন্ত কমিটি এই পুরো ব্যয়কে আত্মসাৎ হিসেবে উল্লেখ করেছে।বিশেষ ক্লাস ও পরিচালনা কমিটির সম্মানীতে কোটি টাকার কর ফাঁকি
ডিআইএর তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ ক্লাসের নামে শিক্ষকদের ১৩ কোটি ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ১১২ টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ৫২এ ধারা অনুযায়ী ১০ শতাংশ হারে উৎস কর কর্তন করা হয়নি। এর ফলে সরকারের ১ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যদের সম্মানী গ্রহণের বিধান না থাকলেও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের ২ কোটি ৪৩ লাখ ২০ হাজার ৭৬৪ টাকা সম্মানী দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি এই অর্থ আদায় করে প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা দেওয়ার পাশাপাশি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৬ টাকা আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করেছে।বিজ্ঞাপন ব্যয়, গাড়ি ক্রয় ও ম্যাগাজিন ফি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞাপন খাতে ৪ কোটি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৯৭ টাকা ব্যয় দেখালেও এর কোনো বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি। এছাড়া ৭টি গাড়ি ক্রয় করা হলেও ৬টির কোনো বিল-ভাউচার পাওয়া যায়নি। টয়োটা হ্যারিয়ার, টাটা বাস, টয়োটা মিনিবাস ও মিতসুবিশি মিনিবাসসহ গাড়ি ক্রয়ে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। তদন্তে আরও জানা গেছে, ২০১৩ সালের পর থেকে কোনো বার্ষিক ম্যাগাজিন প্রকাশ না হলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ম্যাগাজিন ফি আদায় অব্যাহত ছিল। প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে ১৫০ টাকা করে নিয়ে গত ১২ বছরে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার ২০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। অথচ কোনো ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত কমিটি এই অর্থ আদায়কে বিধিবহির্ভূত বলে উল্লেখ করেছে।ইব্রাহিমপুর শাখায় ৬৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ
ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইব্রাহিমপুর শাখায় চার মাসে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৯৩ হাজার ৬৮৫ টাকা আদায় করা হলেও এর মধ্যে ১ কোটি ৯৯ লাখ ৪০ হাজার ২১৫ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। বাকি ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ৪৭০ টাকা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।ক্যান্টিন ভাড়ার ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ
বিভিন্ন শাখার ক্যান্টিন ও দোকান ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে ৬০ হাজার টাকা আদায় হলেও তার কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। ১১ বছরে এই খাতে মোট আদায় হয়েছে ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা ব্যাংকে জমা হয়নি এবং ক্যাশবুকেও এন্ট্রি নেই। তদন্ত কমিটির মতে, এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।ক্যাশবুকে ভয়াবহ জালিয়াতি
ডিআইএর তদন্তে ক্যাশবুকে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। আয়-ব্যয়ের তথ্য লিপিবদ্ধ না করা, ভাউচার নম্বর না থাকা, রশিদ নম্বর অনুপস্থিত থাকা, মাসিক সমাপনী স্বাক্ষর না থাকা, পেন্সিলে উদ্বৃত্ত হিসাব লেখা, একই হিসাব একাধিকবার এন্ট্রি এবং দীর্ঘ সময় ব্যয়ের পৃষ্ঠা ফাঁকা রাখার মতো গুরুতর অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত দল বলছে, এসব ফাঁকা হিসাবপত্র আরও বড় আর্থিক অনিয়মের পায়তারা নির্দেশ করে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।স্টক রেজিস্টার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব
তদন্তে দেখা গেছে, স্টক রেজিস্টার, চেক ডিমান্ড রেজিস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি উপস্থাপন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে আসবাবপত্র, বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল প্রকৃতপক্ষে ক্রয় করা হয়েছিল কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।১৫ বছর বাজেট ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা হয়নি
ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে কোনো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করা হয়নি। একই সঙ্গে গত ১৫ বছরে কোনো অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটিও গঠন করা হয়নি, যদিও প্রতি তিন মাসে হিসাব নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক।বাতিল কমিটির মাধ্যমে ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন না করে বাতিল কমিটির মাধ্যমেই ৪ কোটি ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৪৯১ টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিআইএ। তদন্তে বলা হয়েছে, টেন্ডার ছাড়াই নগদে ১ কোটি ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩৭ টাকার মালামাল কেনা হয়েছে। শ্রমিক মজুরিসহ কোটি কোটি টাকার ব্যয় স্পট কোটেশনের মাধ্যমে করা হয়েছে এবং এসব ক্ষেত্রে দরপত্র আহ্বানও করা হয়নি। এছাড়া উন্নয়ন কাজের বিপরীতে পরিশোধিত ৩ কোটি ১২ লাখ ১৮ হাজার টাকার মধ্যে ২৩ লাখ ৪১ হাজার ৩৫০ টাকা ভ্যাট এবং ১৫ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন— “আমি এই মুহূর্তে দেশে নেই। দেশে ফিরে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের তদন্ত প্রতিবেদন দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।” রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে চলা এই আর্থিক অনিয়ম, আত্মসাৎ ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ এখন শিক্ষা অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর সবার।জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ.....

ডেস্ক রিপোর্ট 


















