জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ১৮ মে ২০২৬ ইং| সময়: ০৬:২২ এএম।এনসিপি থেকে বহিষ্কার আমিরুল ইসলাম, আগেই দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সদস্যসচিব সর্দার আমিরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রোববার (১৭ মে) রাতে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে এর আগে বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দলটির সঙ্গে আর না থাকার ঘোষণা দেন আমিরুল। দলীয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে গত ৩ মার্চ আমিরুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং একই সঙ্গে সতর্কও করা হয়। কিন্তু নোটিশ ও সতর্কবার্তার পরও তিনি পুনরায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, যা দলীয় নীতিমালা ও শৃঙ্খলা বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করে দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে তাকে দলের সব সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে আমিরুল ইসলাম জানান, গত বছরের জুন মাসে এনসিপির প্রাথমিক লক্ষ্য, আদর্শ ও নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে এবং মধ্যপন্থি রাজনীতির নতুন শক্তি হিসেবে দলটির রাজনীতিতে তিনি যুক্ত হয়েছিলেন। তবে নির্বাচনকালীন সময়ে ডানপন্থি জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত তার রাজনৈতিক উৎসাহ ও উদ্দীপনাকে ম্লান করে দেয়। যদিও তিনি ওই সিদ্ধান্তকে দলীয় রণকৌশল হিসেবে বিবেচনা করে জোট থেকে দূরত্ব বজায় রেখে দলের পক্ষে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। আমিরুল তার পোস্টে আরও লেখেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও দলের মধ্যে ডানপন্থার প্রভাব বৃদ্ধি লক্ষ্য করেন তিনি। এর ফল হিসেবে গত দুই মাস রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে নিজেকে নিষ্ক্রিয় রাখেন এবং দলের শীর্ষ নেতার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে সংশ্লিষ্ট নেতা পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, এনসিপির যে প্রতিশ্রুতি ও আদর্শে আকৃষ্ট হয়ে তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছিলেন, বর্তমানে দলের কার্যক্রমে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন না। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ভঙ্গের এই পরিস্থিতি এবং দলীয় রণনীতি ও রণকৌশলের সঙ্গে মতপার্থক্য ক্রমাগত বাড়তে থাকায় তার পক্ষে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা আর সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে এনসিপির প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি লেখেন, “খোদা হাফেজ।”জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ.....

ডেস্ক রিপোর্ট 




















