ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

ব্যক্তিগত উদ্যোগে গর্ভনিরোধক ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৭ মে ২০২৬ ইং, সময়: বৃহস্পতিবার,০৭:০৭ মিনিট।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে গর্ভনিরোধক ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গর্ভনিরোধক সামগ্রীর ব্যবহার আরও বাড়াতে চায় সরকার। বর্তমানে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ নিজ উদ্যোগে গর্ভনিরোধক সামগ্রী কিনে ব্যবহার করছেন। যথাযথ সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে এই হার ৭০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, এর ফলে সরকারের ওপর চাপ কমবে এবং সাশ্রয় হওয়া সম্পদ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি” বিষয়ক এক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও সুইডেন যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। ড. এম এ মুহিত বলেন, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় কাজের দ্বৈততা কমাতে সরকার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার কর্মী আলাদা ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন। ফলে একই এলাকায় একাধিক কর্মী কাজ করলেও অনেক দূরবর্তী এলাকা সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তিনি জানান, সরকার আরও এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। বিদ্যমান কর্মীদের সঙ্গে নতুনদের যুক্ত করে মোট এক লাখ ৪০ হাজার কর্মীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে। তাদের জন্য অভিন্ন জব ডেসক্রিপশন এবং ‘অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিস প্যাকেজ’ নিশ্চিত করা হবে, যাতে সেবার মান সর্বত্র একই থাকে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে সরকারের লক্ষ্য শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ এবং জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই বাড়িতে তিনবার আলাদা কর্মী যাওয়ার কারণে যেমন কাজের পুনরাবৃত্তি হয়, তেমনি অনেক বাড়ি সেবার বাইরে থেকে যায়। সমন্বিত ব্যবস্থাপনা চালু হলে এই সমস্যা দূর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা। একটি আধুনিক ও পুনর্গঠিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। পরিবার পরিকল্পনার বর্তমান কাঠামোকে তিনি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন ও উন্নয়ন আনতে হবে। স্বাস্থ্য খাতের অর্থায়ন প্রসঙ্গে ড. এম এ মুহিত বলেন, অর্থের অভাবের চেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে অদক্ষতা এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারা। সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য বাজেটের পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

ব্যক্তিগত উদ্যোগে গর্ভনিরোধক ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৭ মে ২০২৬ ইং, সময়: বৃহস্পতিবার,০৭:০৭ মিনিট।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে গর্ভনিরোধক ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গর্ভনিরোধক সামগ্রীর ব্যবহার আরও বাড়াতে চায় সরকার। বর্তমানে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ নিজ উদ্যোগে গর্ভনিরোধক সামগ্রী কিনে ব্যবহার করছেন। যথাযথ সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে এই হার ৭০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, এর ফলে সরকারের ওপর চাপ কমবে এবং সাশ্রয় হওয়া সম্পদ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি” বিষয়ক এক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও সুইডেন যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। ড. এম এ মুহিত বলেন, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় কাজের দ্বৈততা কমাতে সরকার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার কর্মী আলাদা ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন। ফলে একই এলাকায় একাধিক কর্মী কাজ করলেও অনেক দূরবর্তী এলাকা সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তিনি জানান, সরকার আরও এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। বিদ্যমান কর্মীদের সঙ্গে নতুনদের যুক্ত করে মোট এক লাখ ৪০ হাজার কর্মীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে। তাদের জন্য অভিন্ন জব ডেসক্রিপশন এবং ‘অ্যাসেনশিয়াল সার্ভিস প্যাকেজ’ নিশ্চিত করা হবে, যাতে সেবার মান সর্বত্র একই থাকে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে সরকারের লক্ষ্য শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ এবং জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই বাড়িতে তিনবার আলাদা কর্মী যাওয়ার কারণে যেমন কাজের পুনরাবৃত্তি হয়, তেমনি অনেক বাড়ি সেবার বাইরে থেকে যায়। সমন্বিত ব্যবস্থাপনা চালু হলে এই সমস্যা দূর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের স্বাস্থ্য পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা। একটি আধুনিক ও পুনর্গঠিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। পরিবার পরিকল্পনার বর্তমান কাঠামোকে তিনি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন ও উন্নয়ন আনতে হবে। স্বাস্থ্য খাতের অর্থায়ন প্রসঙ্গে ড. এম এ মুহিত বলেন, অর্থের অভাবের চেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে অদক্ষতা এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারা। সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য বাজেটের পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....