ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং| সময়: ১১:৫৪ মিনিট।

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

নগর এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের আওতাধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকল্প হস্তান্তর হলেও তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখ প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ৬৬ লাখ কিশোর-কিশোরীকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ শিশুকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির বিল্ডিং স্পেশালিস্ট শেখ শাহরিয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। অতীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমেই পরিচালনার বিষয়ে একমত ছিল।   তিনি আরও জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

আপডেট সময় ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং| সময়: ১১:৫৪ মিনিট।

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

নগর এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের আওতাধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকল্প হস্তান্তর হলেও তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখ প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ৬৬ লাখ কিশোর-কিশোরীকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ শিশুকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির বিল্ডিং স্পেশালিস্ট শেখ শাহরিয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। অতীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমেই পরিচালনার বিষয়ে একমত ছিল।   তিনি আরও জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....