ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগ আমলের হত্যা-গুমে ১,৮৫৫ মামলা, তদন্ত চলছে অধিকাংশের চট্টগ্রাম শহর পানির ওপর ভাসছে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সিদ্ধিরগঞ্জের দুই হত্যা মামলায় আইভীর জামিন নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি আবারও বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম, লিটারে বৃদ্ধি ৪ টাকা বেহেশতের টিকিট বিক্রি করেছে”—জামায়াতকে ঘিরে কড়া সমালোচনা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছের ফের ৩ দিনের রিমান্ডে মুক্তিযুদ্ধ বনাম ‘৫ আগস্ট’ ইস্যুতে সংসদে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সরব অধিবেশন মুক্তিযুদ্ধের বিকল্প নেই, ফেসবুকে রাজনীতি নয়—সংসদে শামা ওবায়েদের বক্তব্যে তর্ক-বিতর্ক সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়ন জরুরি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের দাবি সংসদে— রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং| সময়: ১১:৫৪ মিনিট।

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

নগর এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের আওতাধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকল্প হস্তান্তর হলেও তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখ প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ৬৬ লাখ কিশোর-কিশোরীকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ শিশুকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির বিল্ডিং স্পেশালিস্ট শেখ শাহরিয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। অতীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমেই পরিচালনার বিষয়ে একমত ছিল।   তিনি আরও জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ আমলের হত্যা-গুমে ১,৮৫৫ মামলা, তদন্ত চলছে অধিকাংশের

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং| সময়: ১১:৫৪ মিনিট।

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

নগর এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের আওতাধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকল্প হস্তান্তর হলেও তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখ প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ৬৬ লাখ কিশোর-কিশোরীকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ শিশুকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির বিল্ডিং স্পেশালিস্ট শেখ শাহরিয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। অতীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমেই পরিচালনার বিষয়ে একমত ছিল।   তিনি আরও জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....