ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং| সময়: ১১:৫৪ মিনিট।

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

নগর এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের আওতাধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকল্প হস্তান্তর হলেও তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখ প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ৬৬ লাখ কিশোর-কিশোরীকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ শিশুকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির বিল্ডিং স্পেশালিস্ট শেখ শাহরিয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। অতীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমেই পরিচালনার বিষয়ে একমত ছিল।   তিনি আরও জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

আপডেট সময় ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ইং| সময়: ১১:৫৪ মিনিট।

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪ হাজার কর্মীর চাকরি অনিশ্চিত, বহাল রাখার দাবি

নগর এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের আওতাধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মরত হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকল্প হস্তান্তর হলেও তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশন, শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখ প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি ৬৬ লাখ কিশোর-কিশোরীকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ শিশুকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির বিল্ডিং স্পেশালিস্ট শেখ শাহরিয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত। অতীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই সেবা স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমেই পরিচালনার বিষয়ে একমত ছিল।   তিনি আরও জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চললেও কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....