গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় হামলা: ওসিসহ ৮ পুলিশ আহত, আটক ১
স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ :২৬ মার্চ,২০২৬ ইং,সময়: ১০:০২ মিনিট। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে যুব জামায়াতের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খানসহ অন্তত ৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পলাশবাড়ী থানা ভবনে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ওসি ও ডিউটি অফিসারের সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির কথাকাটাকাটি হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি থানার বাইরে গিয়ে তার সমর্থকদের ডেকে আনে। এরপর ৮–১০ জনের একটি দল থানায় প্রবেশ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে ওসি, একাধিক এএসআইসহ মোট ৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে এএসআই রুহুল আমিন, রাসেল ও ছানোয়ারসহ ৭ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. সোহাগ জানান, রাত ১০টার দিকে ৭ জন পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩–৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত’ হিসেবে উল্লেখ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারী জানান, যুব জামায়াতের নেতা পলাশের নেতৃত্বে একটি দল থানায় এসে এ হামলা চালায়। তিনি আরও জানান, সরকারি বরাদ্দের একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। ওই বিরোধের কারণে অভিযুক্ত পলাশ থানায় এসে ওসিকে দোকানে তালা দিতে চাপ দেন এবং চাকরি করতে না দেওয়ার হুমকি দেন। এতে আপত্তি জানালে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, যা একপর্যায়ে শারীরিক হামলায় রূপ নেয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেজেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

Reporter Name 





















