সীমানা নিয়ে আদালতের রায় ইসির ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে: ইসি সচিব
স্টাফ রিপোর্টার | জেটিভি নিউজ বাংলা ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ঢাকা নির্বাচনি এলাকা সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতের রায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আদালতে মামলা করা যায় না—এটা নিয়ে মন্তব্য করা আমার এখতিয়ার নয়। আদালত যদি কগনিজেন্স নিয়ে থাকেন, নিশ্চয়ই আইনগত বিষয় বিবেচনা করেই করেছেন। তারপরও রায়গুলো আমাদের ক্ষমতাকে কতটা খর্ব করছে—এটা এক অর্থে প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থান তৈরি করছে।” তিনি আরও বলেন, “খর্ব আর প্রশ্নবিদ্ধ—দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে। খর্ব মানে ক্ষমতা বাতিল; আর প্রশ্নবিদ্ধ মানে হল চ্যালেঞ্জযোগ্য, যেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।” জাতীয় সংসদের নির্বাচনি সীমানা নির্ধারণ আইন, ২০০৯-এর ৭ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে—সীমানা নির্ধারণ বা কমিশন কর্তৃক গৃহীত কোনও কার্যধারার বৈধতা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না। কিন্তু বাগেরহাট ও গাজীপুরের সীমানা রদবদল সংক্রান্ত গেজেট চ্যালেঞ্জ করে দুটি রিট আবেদনে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করে আগের আসন কাঠামো বহাল রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে আপিল বিভাগও হাইকোর্টের রায় বহাল রাখায় ইসিকে বাগেরহাটে চারটি এবং গাজীপুরে পাঁচটি আসনে ফিরে যেতে হচ্ছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইন-বিধি, পরিপত্র সব প্রস্তুত আছে। রাজনৈতিক দলগুলোরও সদিচ্ছা থাকতে হবে। নির্বাচনে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিতে যা দরকার ইসি তা করবে।” রদবদলের বিষয়ে তিনি বলেন, “এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিয়েই পরিবর্তন করা হবে।” গাজীপুর–৬ ও বাগেরহাটের আসনসংক্রান্ত গেজেট বিষয়ে তিনি জানান, আদালতের আদেশ অনুযায়ী সংশোধন প্রক্রিয়া চলছে এবং সময় হলে গেজেট প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের নিবন্ধন ১৬ বা ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

Reporter Name 




















