ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে তুমুল প্রতিক্রিয়া: পাকিস্তানের সোজাসাপ্টা মন্তব্য—‘এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

 

🔥 হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে তুমুল প্রতিক্রিয়া: পাকিস্তানের সোজাসাপ্টা মন্তব্য—‘এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়’

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন চলছে। এমন সংবেদনশীল রায় ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুলেছে পাকিস্তান। দেশটি স্পষ্ট ভাষায় বলেছে—শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয়, এতে ইসলামাবাদের কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দরাবি বলেন, “এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের জনগণ গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজেরাই তাদের সংকট সমাধান করতে সক্ষম।” গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে পলাতক শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ে বলা হয়—গত বছর ছাত্রদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলন দমনে তিনি প্রাণঘাতী হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যাতে হাজারো মানুষ নিহত হয়। আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ রায়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার দিল্লিকে জানায়—তাকে ফেরত না পাঠানো ‘অবন্ধুসুলভ আচরণ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়—দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে ফেরত দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে ভারতের। তবে দিল্লি এখনো তাকে ফেরত পাঠাতে রাজি হয়নি। ভারত বলছে—তারা “বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থেই কাজ করবে” এবং সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কথা বলবে।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে তুমুল প্রতিক্রিয়া: পাকিস্তানের সোজাসাপ্টা মন্তব্য—‘এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়

আপডেট সময় ১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
 

🔥 হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে তুমুল প্রতিক্রিয়া: পাকিস্তানের সোজাসাপ্টা মন্তব্য—‘এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়’

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন চলছে। এমন সংবেদনশীল রায় ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুলেছে পাকিস্তান। দেশটি স্পষ্ট ভাষায় বলেছে—শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয়, এতে ইসলামাবাদের কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দরাবি বলেন, “এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের জনগণ গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজেরাই তাদের সংকট সমাধান করতে সক্ষম।” গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে পলাতক শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ে বলা হয়—গত বছর ছাত্রদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলন দমনে তিনি প্রাণঘাতী হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যাতে হাজারো মানুষ নিহত হয়। আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ রায়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার দিল্লিকে জানায়—তাকে ফেরত না পাঠানো ‘অবন্ধুসুলভ আচরণ’ হিসেবে বিবেচিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়—দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাকে ফেরত দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে ভারতের। তবে দিল্লি এখনো তাকে ফেরত পাঠাতে রাজি হয়নি। ভারত বলছে—তারা “বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থেই কাজ করবে” এবং সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কথা বলবে।