ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

 

📰 জেটিভি নিউজ বাংলা – প্রিন্ট সংস্করণ

ছবি, সংগৃহীত 

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

স্বর্ণ–হীরা চোরাচালান ও উৎসহীন সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে সিআইডি


চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধ উপায়ে অর্জিত ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগরওয়ালার (৫৭) বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের আর্থিক লেনদেন, নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অনুসন্ধান শুরু করে। এতে দেখা যায়—
  • প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করেছে
  • এসবের উৎস বা সরবরাহকারী সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়
  • যার প্রাথমিক প্রমাণে চোরাচালান ও উৎসহীন অর্থ উপার্জনের ঘটনা উঠে আসে
এই পরিস্থিতিতে গত ১৭ নভেম্বর দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার মানিলন্ডারিং মামলা করা হয়।

দীর্ঘদিনের অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ

সিআইডির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিলীপ আগরওয়ালা দীর্ঘদিন ধরে দেশে–বিদেশে স্বর্ণ ও হীরা ব্যবসার আড়ালে অর্থ পাচার ও চোরাকারবারি পরিচালনা করে আসছিলেন। অনুসন্ধানে আরও পাওয়া যায়—
  • ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে মোট ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকা ৫২ পয়সা মূল্যের স্বর্ণবার, অলংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অন্যান্য দ্রব্য বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে
  • একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে বা বিনিময়–পরিবর্তনের মাধ্যমে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করা হয়েছে
  • এই বৃহদায়তন সংগ্রহের বৈধ উৎসের কোনো নথি নেই, যা চোরাচালানের প্রমাণকেই ইঙ্গিত করে

মামলা অনুমোদন ও তদন্ত

সিআইডির মুখপাত্র জানান, চোরাচালান ও অপরাধলব্ধ অর্থ রূপান্তর, হস্তান্তর বা ব্যবহারের নথিপত্র বিশ্লেষণে মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এই অনুসন্ধান প্রতিবেদন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপির কাছে পাঠানো হলে ১৬ নভেম্বর মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। গুলশান থানায় দায়ের হওয়া এ মামলাটি সিআইডির তফসিলভুক্ত হওয়ায় তদন্ত সিআইডিই পরিচালনা করবে। বৈধ কাগজপত্র, ব্যাংক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই করে আইনানুগ কঠোর তদন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

আপডেট সময় ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
 

📰 জেটিভি নিউজ বাংলা – প্রিন্ট সংস্করণ

ছবি, সংগৃহীত 

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

স্বর্ণ–হীরা চোরাচালান ও উৎসহীন সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে সিআইডি


চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধ উপায়ে অর্জিত ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী দিলীপ কুমার আগরওয়ালার (৫৭) বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের আর্থিক লেনদেন, নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অনুসন্ধান শুরু করে। এতে দেখা যায়—
  • প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করেছে
  • এসবের উৎস বা সরবরাহকারী সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়
  • যার প্রাথমিক প্রমাণে চোরাচালান ও উৎসহীন অর্থ উপার্জনের ঘটনা উঠে আসে
এই পরিস্থিতিতে গত ১৭ নভেম্বর দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার মানিলন্ডারিং মামলা করা হয়।

দীর্ঘদিনের অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ

সিআইডির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিলীপ আগরওয়ালা দীর্ঘদিন ধরে দেশে–বিদেশে স্বর্ণ ও হীরা ব্যবসার আড়ালে অর্থ পাচার ও চোরাকারবারি পরিচালনা করে আসছিলেন। অনুসন্ধানে আরও পাওয়া যায়—
  • ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে মোট ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকা ৫২ পয়সা মূল্যের স্বর্ণবার, অলংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অন্যান্য দ্রব্য বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে
  • একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে বা বিনিময়–পরিবর্তনের মাধ্যমে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করা হয়েছে
  • এই বৃহদায়তন সংগ্রহের বৈধ উৎসের কোনো নথি নেই, যা চোরাচালানের প্রমাণকেই ইঙ্গিত করে

মামলা অনুমোদন ও তদন্ত

সিআইডির মুখপাত্র জানান, চোরাচালান ও অপরাধলব্ধ অর্থ রূপান্তর, হস্তান্তর বা ব্যবহারের নথিপত্র বিশ্লেষণে মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এই অনুসন্ধান প্রতিবেদন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপির কাছে পাঠানো হলে ১৬ নভেম্বর মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। গুলশান থানায় দায়ের হওয়া এ মামলাটি সিআইডির তফসিলভুক্ত হওয়ায় তদন্ত সিআইডিই পরিচালনা করবে। বৈধ কাগজপত্র, ব্যাংক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই করে আইনানুগ কঠোর তদন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।