ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

 

📰 জেটিভি নিউজ বাংলা – প্রিন্ট ভার্সন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালেরও। বর্তমানে ভারতের কলকাতায় অবস্থানরত এই সাবেক মন্ত্রী টিভির সরাসরি সম্প্রচারে নিজের ফাঁসির রায় নিজেই শোনেন। পরে প্রতিক্রিয়ায় জানান—“মৃত্যুকে ভয় পাই না।”

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বহু প্রতীক্ষিত রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় কামাল অবস্থান করছিলেন ভারতের কলকাতায়। তিনি জানান, দুপুরের পর থেকেই উৎকণ্ঠায় টেলিভিশনের সামনে বসে ছিলেন। কলকাতার জনবিরল এক এলাকায় প্রায় একাই বাস করেন তিনি—যা বাংলাদেশে মন্ত্রী থাকাকালীন তার ব্যস্ত ও নিরাপত্তাবেষ্টিত জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। টিভিতে সরাসরি শুনতে পান বিচারপতির মুখে উচ্চারিত শব্দ— “আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।” আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা আগেই জানতাম এই রকম রায়ই হবে। বাংলাদেশের গত এক বছরের ঘটনাপ্রবাহ দেখলেই বোঝা যাচ্ছিল সব কিছু সাজানো হচ্ছে। তাই চমকে যাইনি।” নিজের ফাঁসির আদেশ শুনতে কেমন লেগেছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নিজের ফাঁসির নির্দেশ শোনা সহজ নয়। মনেও সহজ হয়নি। কিন্তু কঠিন কিছুই হবে—এটা জানতাম।” মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের মানসিকতার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়েছি। তখনই ভেবে লড়েছি—হয় মারব, না হয় মরব। তাই মৃত্যুকে ভয় পাই না, এখনও পাই না।” এ সময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে—এমনটাই তার প্রত্যাশা।

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার এই রায়কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ছে। কলকাতায় অবস্থানরত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে একদিকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার মানসিক চাপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের সুর।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

আপডেট সময় ০৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
 

📰 জেটিভি নিউজ বাংলা – প্রিন্ট ভার্সন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালেরও। বর্তমানে ভারতের কলকাতায় অবস্থানরত এই সাবেক মন্ত্রী টিভির সরাসরি সম্প্রচারে নিজের ফাঁসির রায় নিজেই শোনেন। পরে প্রতিক্রিয়ায় জানান—“মৃত্যুকে ভয় পাই না।”

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বহু প্রতীক্ষিত রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় কামাল অবস্থান করছিলেন ভারতের কলকাতায়। তিনি জানান, দুপুরের পর থেকেই উৎকণ্ঠায় টেলিভিশনের সামনে বসে ছিলেন। কলকাতার জনবিরল এক এলাকায় প্রায় একাই বাস করেন তিনি—যা বাংলাদেশে মন্ত্রী থাকাকালীন তার ব্যস্ত ও নিরাপত্তাবেষ্টিত জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। টিভিতে সরাসরি শুনতে পান বিচারপতির মুখে উচ্চারিত শব্দ— “আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।” আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা আগেই জানতাম এই রকম রায়ই হবে। বাংলাদেশের গত এক বছরের ঘটনাপ্রবাহ দেখলেই বোঝা যাচ্ছিল সব কিছু সাজানো হচ্ছে। তাই চমকে যাইনি।” নিজের ফাঁসির আদেশ শুনতে কেমন লেগেছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নিজের ফাঁসির নির্দেশ শোনা সহজ নয়। মনেও সহজ হয়নি। কিন্তু কঠিন কিছুই হবে—এটা জানতাম।” মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের মানসিকতার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়েছি। তখনই ভেবে লড়েছি—হয় মারব, না হয় মরব। তাই মৃত্যুকে ভয় পাই না, এখনও পাই না।” এ সময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে—এমনটাই তার প্রত্যাশা।

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার এই রায়কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ছে। কলকাতায় অবস্থানরত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে একদিকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার মানসিক চাপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের সুর।