ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

 

📰 জেটিভি নিউজ বাংলা – প্রিন্ট ভার্সন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালেরও। বর্তমানে ভারতের কলকাতায় অবস্থানরত এই সাবেক মন্ত্রী টিভির সরাসরি সম্প্রচারে নিজের ফাঁসির রায় নিজেই শোনেন। পরে প্রতিক্রিয়ায় জানান—“মৃত্যুকে ভয় পাই না।”

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বহু প্রতীক্ষিত রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় কামাল অবস্থান করছিলেন ভারতের কলকাতায়। তিনি জানান, দুপুরের পর থেকেই উৎকণ্ঠায় টেলিভিশনের সামনে বসে ছিলেন। কলকাতার জনবিরল এক এলাকায় প্রায় একাই বাস করেন তিনি—যা বাংলাদেশে মন্ত্রী থাকাকালীন তার ব্যস্ত ও নিরাপত্তাবেষ্টিত জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। টিভিতে সরাসরি শুনতে পান বিচারপতির মুখে উচ্চারিত শব্দ— “আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।” আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা আগেই জানতাম এই রকম রায়ই হবে। বাংলাদেশের গত এক বছরের ঘটনাপ্রবাহ দেখলেই বোঝা যাচ্ছিল সব কিছু সাজানো হচ্ছে। তাই চমকে যাইনি।” নিজের ফাঁসির আদেশ শুনতে কেমন লেগেছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নিজের ফাঁসির নির্দেশ শোনা সহজ নয়। মনেও সহজ হয়নি। কিন্তু কঠিন কিছুই হবে—এটা জানতাম।” মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের মানসিকতার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়েছি। তখনই ভেবে লড়েছি—হয় মারব, না হয় মরব। তাই মৃত্যুকে ভয় পাই না, এখনও পাই না।” এ সময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে—এমনটাই তার প্রত্যাশা।

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার এই রায়কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ছে। কলকাতায় অবস্থানরত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে একদিকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার মানসিক চাপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের সুর।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

আপডেট সময় ০৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
 

📰 জেটিভি নিউজ বাংলা – প্রিন্ট ভার্সন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড—কলকাতায় বসেই শুনলেন নিজের রায়

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালেরও। বর্তমানে ভারতের কলকাতায় অবস্থানরত এই সাবেক মন্ত্রী টিভির সরাসরি সম্প্রচারে নিজের ফাঁসির রায় নিজেই শোনেন। পরে প্রতিক্রিয়ায় জানান—“মৃত্যুকে ভয় পাই না।”

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বহু প্রতীক্ষিত রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের সময় কামাল অবস্থান করছিলেন ভারতের কলকাতায়। তিনি জানান, দুপুরের পর থেকেই উৎকণ্ঠায় টেলিভিশনের সামনে বসে ছিলেন। কলকাতার জনবিরল এক এলাকায় প্রায় একাই বাস করেন তিনি—যা বাংলাদেশে মন্ত্রী থাকাকালীন তার ব্যস্ত ও নিরাপত্তাবেষ্টিত জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। টিভিতে সরাসরি শুনতে পান বিচারপতির মুখে উচ্চারিত শব্দ— “আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।” আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা আগেই জানতাম এই রকম রায়ই হবে। বাংলাদেশের গত এক বছরের ঘটনাপ্রবাহ দেখলেই বোঝা যাচ্ছিল সব কিছু সাজানো হচ্ছে। তাই চমকে যাইনি।” নিজের ফাঁসির আদেশ শুনতে কেমন লেগেছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নিজের ফাঁসির নির্দেশ শোনা সহজ নয়। মনেও সহজ হয়নি। কিন্তু কঠিন কিছুই হবে—এটা জানতাম।” মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের মানসিকতার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়েছি। তখনই ভেবে লড়েছি—হয় মারব, না হয় মরব। তাই মৃত্যুকে ভয় পাই না, এখনও পাই না।” এ সময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে—এমনটাই তার প্রত্যাশা।

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার এই রায়কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ছে। কলকাতায় অবস্থানরত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে একদিকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার মানসিক চাপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের সুর।