রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সভাকক্ষে ‘অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, অনলাইন জুয়া বন্ধে বিটিআরসি ইতোমধ্যে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সতর্কতামূলক মেইল পাঠানো শুরু করেছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শুধু ব্লক করাই নয়, প্রতিটি অ্যাকাউন্ট যাচাই-বাছাই করে আইনগত ও কমপ্লায়েন্স মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, দেশের সব মিডিয়া হাউজ কীভাবে ওয়েব ব্রাউজার এবং গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করবে সেই নির্দেশিকা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এটি তথ্য মন্ত্রণালয়ে ভেটিং প্রক্রিয়াধীন। অনুমোদন শেষে এটি সংশ্লিষ্ট সব মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত গাইডলাইনও প্রস্তুত হয়েছে, যা অনুমোদনের পর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
এমএফএস অ্যাকাউন্ট ব্লক ও ডেটাবেজ উদ্যোগ:
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান—- অনলাইন জুয়ায় জড়িত প্রায় ৫ হাজার এমএফএস (মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস) অ্যাকাউন্ট ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে।
- সরকার একটি কমন ডেটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে সরকারি সংস্থা, এমএফএস অপারেটর ও প্ল্যাটফর্মগুলোর সমন্বয়ে তথ্য সংরক্ষণ ও নজরদারি করা হবে।
- অনলাইন বেটিংয়ে জড়িতদের ইন্টারনেট স্পিড সীমিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
- সিম ও এমএফএসের ই-কেওয়াইসি সমন্বয়ে দ্রুত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজন করা হবে।
সভায়
- বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, ১৬ ডিসেম্বরের পর একজন ব্যক্তির নামে সর্বোচ্চ ১০টি সিম রাখার সীমাবদ্ধতা কার্যকর হলে এটি অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।
- বিকাশ প্রতিনিধির তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহে জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৯৭টি মোবাইল নম্বর বন্ধ করা হয়েছে এবং অনলাইন লেনদেন শনাক্তে নতুন ক্রলিং ইঞ্জিন প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে।
- সভায় আরও প্রস্তাব করা হয়, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যাম রোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মতো একটি আলাদা বিশেষ সংস্থা গঠন এবং ক্রস-ডোমেইন মনিটরিং কার্যক্রম শক্তিশালী করা প্রয়োজন

Reporter Name 




















