ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

বাজারে আগুন, পকেটে ধস,টিকে থাকা এখন সংগ্রাম ‎ ‎জেটিভি নিউজ বাংলা | সম্পাদকীয় ‎ ‎রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বাজারে গিয়ে এখন আর আগের মতো ঝুড়ি ভর্তি করে কেনাকাটা করা সম্ভব নয়। নির্ধারিত বাজেট নিয়েও ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, সরকার সব কিছু করতে পারলেও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে দাম বাড়াচ্ছেন। ‎ ‎শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়—সবজি, মাছ, ডিম, মুরগি থেকে শুরু করে চাল-ডাল পর্যন্ত প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, আলু, টমেটোসহ প্রতিটি সবজির কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। শীত মৌসুম ঘনিয়ে এলেও সবজির দাম এখনো সাধারণের নাগালের বাইরে। ফলে অনেকেই এখন মাংস খাওয়াকে বিলাসিতা মনে করছেন। ‎ ‎সাভার এলাকার অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ হারুন মিয়া (৩০) জেটিভি নিউজ বাংলাকে জানান, “গত চার দিন পরে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি, তেমন ইনকাম নেই। দিনে কোনো রকমে ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা পাই। কিন্তু প্রতিদিন এনজিওর কিস্তি দিতে হয় ৪৫০ টাকা। সংসারে মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান—ছেলে ক্লাস থ্রিতে, মেয়ে ক্লাস সেভেনে পড়ে। দুই রুমের ভাড়া বাসায় থাকি, ভাড়া ৫,০০০ টাকা। এখন আর সংসার চালাতে পারি না। রাতে ঘুমাতে গেলেও ঘুম আসে না—চিন্তায় শরীরটাও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।” ‎ ‎তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন বাজারে গেলে মনে হয় যুদ্ধ করতে যাচ্ছি। ৫০০ টাকায় এখন কিছুই কেনা যায় না। ১,০০০ টাকা নিয়ে গেলেও দুই–তিনটি জিনিস কিনে টাকা শেষ হয়ে যায়। মাছ-মাংস এখন বিলাসী জিনিস হয়ে গেছে। কোরবানির ঈদ ছাড়া গরুর মাংস খাওয়ার কথা ভাবাই যায় না। সরকার সব কিছু করতে পারে, কিন্তু বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়।” ‎ ‎অর্থনীতিবিদদের মতে, পণ্যের সরবরাহ চেইনে অসঙ্গতি, মজুদদারি এবং প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের ঘাটতিই বাজার অস্থিরতার মূল কারণ। নিয়মিত বাজার তদারকি ও কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ‎ ‎আসন্ন রোজা ও মৌসুমকে ঘিরে যাতে নতুন করে পণ্যের দাম না বাড়ে, বরং নিত্যপণ্যের বাজারে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরে আসে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির। ‎ ‎ ‎

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

বাজারে আগুন, পকেটে ধস,টিকে থাকা এখন সংগ্রাম

জেটিভি নিউজ বাংলা | সম্পাদকীয়

‎রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বাজারে গিয়ে এখন আর আগের মতো ঝুড়ি ভর্তি করে কেনাকাটা করা সম্ভব নয়। নির্ধারিত বাজেট নিয়েও ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, সরকার সব কিছু করতে পারলেও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে দাম বাড়াচ্ছেন।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়—সবজি, মাছ, ডিম, মুরগি থেকে শুরু করে চাল-ডাল পর্যন্ত প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, আলু, টমেটোসহ প্রতিটি সবজির কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। শীত মৌসুম ঘনিয়ে এলেও সবজির দাম এখনো সাধারণের নাগালের বাইরে। ফলে অনেকেই এখন মাংস খাওয়াকে বিলাসিতা মনে করছেন। ‎সাভার এলাকার অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ হারুন মিয়া (৩০) জেটিভি নিউজ বাংলাকে জানান, “গত চার দিন পরে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি, তেমন ইনকাম নেই। দিনে কোনো রকমে ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা পাই। কিন্তু প্রতিদিন এনজিওর কিস্তি দিতে হয় ৪৫০ টাকা। সংসারে মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান—ছেলে ক্লাস থ্রিতে, মেয়ে ক্লাস সেভেনে পড়ে। দুই রুমের ভাড়া বাসায় থাকি, ভাড়া ৫,০০০ টাকা। এখন আর সংসার চালাতে পারি না। রাতে ঘুমাতে গেলেও ঘুম আসে না—চিন্তায় শরীরটাও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।” ‎তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন বাজারে গেলে মনে হয় যুদ্ধ করতে যাচ্ছি। ৫০০ টাকায় এখন কিছুই কেনা যায় না। ১,০০০ টাকা নিয়ে গেলেও দুই–তিনটি জিনিস কিনে টাকা শেষ হয়ে যায়। মাছ-মাংস এখন বিলাসী জিনিস হয়ে গেছে। কোরবানির ঈদ ছাড়া গরুর মাংস খাওয়ার কথা ভাবাই যায় না। সরকার সব কিছু করতে পারে, কিন্তু বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়।” ‎অর্থনীতিবিদদের মতে, পণ্যের সরবরাহ চেইনে অসঙ্গতি, মজুদদারি এবং প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের ঘাটতিই বাজার অস্থিরতার মূল কারণ। নিয়মিত বাজার তদারকি ও কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আসন্ন রোজা ও মৌসুমকে ঘিরে যাতে নতুন করে পণ্যের দাম না বাড়ে, বরং নিত্যপণ্যের বাজারে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরে আসে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

বাজারে আগুন, পকেটে ধস,টিকে থাকা এখন সংগ্রাম ‎ ‎জেটিভি নিউজ বাংলা | সম্পাদকীয় ‎ ‎রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বাজারে গিয়ে এখন আর আগের মতো ঝুড়ি ভর্তি করে কেনাকাটা করা সম্ভব নয়। নির্ধারিত বাজেট নিয়েও ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, সরকার সব কিছু করতে পারলেও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে দাম বাড়াচ্ছেন। ‎ ‎শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়—সবজি, মাছ, ডিম, মুরগি থেকে শুরু করে চাল-ডাল পর্যন্ত প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, আলু, টমেটোসহ প্রতিটি সবজির কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। শীত মৌসুম ঘনিয়ে এলেও সবজির দাম এখনো সাধারণের নাগালের বাইরে। ফলে অনেকেই এখন মাংস খাওয়াকে বিলাসিতা মনে করছেন। ‎ ‎সাভার এলাকার অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ হারুন মিয়া (৩০) জেটিভি নিউজ বাংলাকে জানান, “গত চার দিন পরে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি, তেমন ইনকাম নেই। দিনে কোনো রকমে ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা পাই। কিন্তু প্রতিদিন এনজিওর কিস্তি দিতে হয় ৪৫০ টাকা। সংসারে মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান—ছেলে ক্লাস থ্রিতে, মেয়ে ক্লাস সেভেনে পড়ে। দুই রুমের ভাড়া বাসায় থাকি, ভাড়া ৫,০০০ টাকা। এখন আর সংসার চালাতে পারি না। রাতে ঘুমাতে গেলেও ঘুম আসে না—চিন্তায় শরীরটাও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।” ‎ ‎তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন বাজারে গেলে মনে হয় যুদ্ধ করতে যাচ্ছি। ৫০০ টাকায় এখন কিছুই কেনা যায় না। ১,০০০ টাকা নিয়ে গেলেও দুই–তিনটি জিনিস কিনে টাকা শেষ হয়ে যায়। মাছ-মাংস এখন বিলাসী জিনিস হয়ে গেছে। কোরবানির ঈদ ছাড়া গরুর মাংস খাওয়ার কথা ভাবাই যায় না। সরকার সব কিছু করতে পারে, কিন্তু বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়।” ‎ ‎অর্থনীতিবিদদের মতে, পণ্যের সরবরাহ চেইনে অসঙ্গতি, মজুদদারি এবং প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের ঘাটতিই বাজার অস্থিরতার মূল কারণ। নিয়মিত বাজার তদারকি ও কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ‎ ‎আসন্ন রোজা ও মৌসুমকে ঘিরে যাতে নতুন করে পণ্যের দাম না বাড়ে, বরং নিত্যপণ্যের বাজারে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরে আসে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির। ‎ ‎ ‎

আপডেট সময় ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বাজারে আগুন, পকেটে ধস,টিকে থাকা এখন সংগ্রাম

জেটিভি নিউজ বাংলা | সম্পাদকীয়

‎রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বাজারে গিয়ে এখন আর আগের মতো ঝুড়ি ভর্তি করে কেনাকাটা করা সম্ভব নয়। নির্ধারিত বাজেট নিয়েও ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, সরকার সব কিছু করতে পারলেও বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে দাম বাড়াচ্ছেন।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়—সবজি, মাছ, ডিম, মুরগি থেকে শুরু করে চাল-ডাল পর্যন্ত প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, আলু, টমেটোসহ প্রতিটি সবজির কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। শীত মৌসুম ঘনিয়ে এলেও সবজির দাম এখনো সাধারণের নাগালের বাইরে। ফলে অনেকেই এখন মাংস খাওয়াকে বিলাসিতা মনে করছেন। ‎সাভার এলাকার অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ হারুন মিয়া (৩০) জেটিভি নিউজ বাংলাকে জানান, “গত চার দিন পরে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি, তেমন ইনকাম নেই। দিনে কোনো রকমে ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা পাই। কিন্তু প্রতিদিন এনজিওর কিস্তি দিতে হয় ৪৫০ টাকা। সংসারে মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান—ছেলে ক্লাস থ্রিতে, মেয়ে ক্লাস সেভেনে পড়ে। দুই রুমের ভাড়া বাসায় থাকি, ভাড়া ৫,০০০ টাকা। এখন আর সংসার চালাতে পারি না। রাতে ঘুমাতে গেলেও ঘুম আসে না—চিন্তায় শরীরটাও দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।” ‎তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন বাজারে গেলে মনে হয় যুদ্ধ করতে যাচ্ছি। ৫০০ টাকায় এখন কিছুই কেনা যায় না। ১,০০০ টাকা নিয়ে গেলেও দুই–তিনটি জিনিস কিনে টাকা শেষ হয়ে যায়। মাছ-মাংস এখন বিলাসী জিনিস হয়ে গেছে। কোরবানির ঈদ ছাড়া গরুর মাংস খাওয়ার কথা ভাবাই যায় না। সরকার সব কিছু করতে পারে, কিন্তু বাজারদর নিয়ন্ত্রণে যেন একেবারেই অসহায়।” ‎অর্থনীতিবিদদের মতে, পণ্যের সরবরাহ চেইনে অসঙ্গতি, মজুদদারি এবং প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের ঘাটতিই বাজার অস্থিরতার মূল কারণ। নিয়মিত বাজার তদারকি ও কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আসন্ন রোজা ও মৌসুমকে ঘিরে যাতে নতুন করে পণ্যের দাম না বাড়ে, বরং নিত্যপণ্যের বাজারে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরে আসে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির।