ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস
ফুটপাত,ও,ফুটওভার, ব্রিজজনকল্যাণ, নয়,,চলছে, চাঁদা, বানিজ্য

ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ জণকল্যাণ নয়,চলছে চাঁদা বানিজ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

 Report:  রুমন জয়ারদ্দার জনি

‎Camera: জেটিভি নিউজ বাংলা টিম

‎Edit: জনি মিডিয়া ভিশন

Channel: JTV News Bangla

সা‎ধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে নির্মিত হয়েছিল এই ফুটওভার ব্রিজ ও ফুটপাত। কিন্তু আজ সেগুলোই পরিণত হয়েছে জনদূর্ভোগের স্থানে।

যেখানে হেঁটে যাওয়ার কথা মানুষ, সেখানে এখন বসেছে দোকান, ভিক্ষাবৃত্তি আর চাঁদা বানিজ্যের বড়ো আসর।

‎আর ফুটওভার ব্রিজ দখলে নিয়েছে একাধিক সিন্ডিকেট—

যারা বাকপ্রতিবন্ধি সেজে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা তুলছে পথচারীদের কাছ থেকে।

‎প্রশাসনও এখন যেন এই সিন্ডিকেটের কাছে অসহায়।

‎পুলিশ অভিযানে গেলেই উঠে যায় হুমকির সুর—

“এটা কিন্তু সেই ৫ আগস্টের আগের দিন না... ভালো হয়ে যান!”

‎এই কথাতেই যেন থেমে যায় অভিযান।

‎“জনকল্যাণে নির্মিত এই ফুটওভার ব্রিজ আজ পরিণত হয়েছে ভয়ংকর চাঁদাবাজির প্ল্যাটফর্মে। প্রশাসনের উদ্যোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি।”

 (ওসি সালেহ আহমেদ)

‎“আমরা নিয়মিত অভিযান চালাই। কিন্তু অনেক সময় এদের পেছনে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি থাকে, যারা পরোক্ষভাবে তাদের সহায়তা করে। আমরা চেষ্টা করছি নিয়মিত এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।”

এরপর সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় নিরাপদ সড়কের অভিযানে গেলে—

‎আমরাও সারথি হই পুলিশের সঙ্গে।

তবে সেখানে এক উল্টো পথে আসা মাইক্রোবাস চালক হঠাৎ আচরণে চমকে দেয় সবাইকে

‎পুলিশ জিজ্ঞাসা করতেই তিনি হুমকি দিতে শুরু করেন।

সাংবাদিকদের বলেন—“তোমরা মোবাইল সাংবাদিক!”

‎এমনকি তিনি নিজের মোবাইল ফোনে পুলিশ ও সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ করতে থাকেন।

এমন ঘটনায় বুঝা যায়, আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গাটা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে।”

এরপর সেখানে কিছু সময়ের মধ্যেই কয়েকজন স্থানীয় ক্যাডার এসে উপস্থিত হয়।

‎তারা উল্টো পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করে।

এক পর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।

ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ দখলমুক্ত করা এখন শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব।

গণমাধ্যম ও পুলিশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারলেই ফিরবে শৃঙ্খল দেশজুড়ে।”

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

ফুটপাত,ও,ফুটওভার, ব্রিজজনকল্যাণ, নয়,,চলছে, চাঁদা, বানিজ্য

ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ জণকল্যাণ নয়,চলছে চাঁদা বানিজ্য

আপডেট সময় ১২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
 Report:  রুমন জয়ারদ্দার জনি

‎Camera: জেটিভি নিউজ বাংলা টিম

‎Edit: জনি মিডিয়া ভিশন

Channel: JTV News Bangla

সা‎ধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে নির্মিত হয়েছিল এই ফুটওভার ব্রিজ ও ফুটপাত। কিন্তু আজ সেগুলোই পরিণত হয়েছে জনদূর্ভোগের স্থানে।

যেখানে হেঁটে যাওয়ার কথা মানুষ, সেখানে এখন বসেছে দোকান, ভিক্ষাবৃত্তি আর চাঁদা বানিজ্যের বড়ো আসর।

‎আর ফুটওভার ব্রিজ দখলে নিয়েছে একাধিক সিন্ডিকেট—

যারা বাকপ্রতিবন্ধি সেজে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা তুলছে পথচারীদের কাছ থেকে।

‎প্রশাসনও এখন যেন এই সিন্ডিকেটের কাছে অসহায়।

‎পুলিশ অভিযানে গেলেই উঠে যায় হুমকির সুর—

“এটা কিন্তু সেই ৫ আগস্টের আগের দিন না... ভালো হয়ে যান!”

‎এই কথাতেই যেন থেমে যায় অভিযান।

‎“জনকল্যাণে নির্মিত এই ফুটওভার ব্রিজ আজ পরিণত হয়েছে ভয়ংকর চাঁদাবাজির প্ল্যাটফর্মে। প্রশাসনের উদ্যোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি।”

 (ওসি সালেহ আহমেদ)

‎“আমরা নিয়মিত অভিযান চালাই। কিন্তু অনেক সময় এদের পেছনে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি থাকে, যারা পরোক্ষভাবে তাদের সহায়তা করে। আমরা চেষ্টা করছি নিয়মিত এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।”

এরপর সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় নিরাপদ সড়কের অভিযানে গেলে—

‎আমরাও সারথি হই পুলিশের সঙ্গে।

তবে সেখানে এক উল্টো পথে আসা মাইক্রোবাস চালক হঠাৎ আচরণে চমকে দেয় সবাইকে

‎পুলিশ জিজ্ঞাসা করতেই তিনি হুমকি দিতে শুরু করেন।

সাংবাদিকদের বলেন—“তোমরা মোবাইল সাংবাদিক!”

‎এমনকি তিনি নিজের মোবাইল ফোনে পুলিশ ও সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ করতে থাকেন।

এমন ঘটনায় বুঝা যায়, আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গাটা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে।”

এরপর সেখানে কিছু সময়ের মধ্যেই কয়েকজন স্থানীয় ক্যাডার এসে উপস্থিত হয়।

‎তারা উল্টো পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করে।

এক পর্যায়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।

ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ দখলমুক্ত করা এখন শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব।

গণমাধ্যম ও পুলিশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারলেই ফিরবে শৃঙ্খল দেশজুড়ে।”