ঢাকা , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মহান শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী: একুশের চেতনায় গণতন্ত্র সুসংহত করার অঙ্গীকার হেমায়েতপুর ফুটপাত: চাঁদাবাজি, জুয়া ও লটারি শ্রমিকদের নিঃস্ব করছে একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের নিরাপত্তা বলয়: সুনির্দিষ্ট কোনো শঙ্কা নেই—ডিএমপি কমিশনার রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না চাঁদাবাজির লাগাম টানতে ও নির্মূল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ: গণতান্ত্রিক সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রমজানজুড়ে বন্ধ সব বিদ্যালয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি আমিনবাজার সেটেলমেন্ট অফিসে অনিয়ম ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশসহ ৯ দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংযুক্ত আরব আমিরাত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ আন্তর্জাতিক বাংলা

‎ছবি, সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ নয়টি দেশের ওপর পর্যটন ও কর্ম ভিসার উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এই নির্দেশনা।

শ্রমিক, পর্যটক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক এই ৯ দেশের নাগরিকরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবেন।

‎সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণ, কাজ বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা একটি অপরিহার্য নথি। যদিও বেশিরভাগ নাগরিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর্যটন ভিসা বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাজের ভিসার জন্যই আবেদন করেন।

তবে এবার বেশ কিছু দেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করলো আমিরাত। এই বিধিনিষেধের অর্থ হলো- পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দেশগুলোর নাগরিকরা শ্রমিক, পর্যটক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

দেশটির অভিবাসন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো- আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া, লেবানন, বাংলাদেশ, ক্যামেরুন, সুদান এবং উগান্ডা।

কেন এসব দেশের নাগরিকের ওপর ভিসা নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

‎আরব আমিরাত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কারণ জানায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এর সম্ভাব্য কারণগুলো হলো-

‎নিরাপত্তা বিষয় : সন্ত্রাসবাদ বা বেআইনি কার্যকলাপ থেকে আমিরাতের নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখা।

ভূরাজনৈতিক দিক ঃ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন।

কোভিড-১৯ এবং রোগ  প্রতিরোধ: সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর প্রবেশ নীতিমালা প্রয়োগ।

ই নিষেধাজ্ঞা সাময়িক বলে মনে করা হচ্ছে এবং আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য মূল্যায়ণের ওপর নির্ভর করে তা পর্যালোচনা করা হবে। তবে যারা বৈধ ভিসা নিয়ে এরই মধ্যে আমিরাতে বসবাস করছেন, তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন না।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

বাংলাদেশসহ ৯ দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংযুক্ত আরব আমিরাত

আপডেট সময় ০২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জেটিভি নিউজ আন্তর্জাতিক বাংলা

‎ছবি, সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ নয়টি দেশের ওপর পর্যটন ও কর্ম ভিসার উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এই নির্দেশনা।

শ্রমিক, পর্যটক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক এই ৯ দেশের নাগরিকরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবেন।

‎সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণ, কাজ বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা একটি অপরিহার্য নথি। যদিও বেশিরভাগ নাগরিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর্যটন ভিসা বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাজের ভিসার জন্যই আবেদন করেন।

তবে এবার বেশ কিছু দেশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করলো আমিরাত। এই বিধিনিষেধের অর্থ হলো- পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দেশগুলোর নাগরিকরা শ্রমিক, পর্যটক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

দেশটির অভিবাসন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো- আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া, লেবানন, বাংলাদেশ, ক্যামেরুন, সুদান এবং উগান্ডা।

কেন এসব দেশের নাগরিকের ওপর ভিসা নিষিদ্ধ করা হয়েছে?

‎আরব আমিরাত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কারণ জানায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এর সম্ভাব্য কারণগুলো হলো-

‎নিরাপত্তা বিষয় : সন্ত্রাসবাদ বা বেআইনি কার্যকলাপ থেকে আমিরাতের নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখা।

ভূরাজনৈতিক দিক ঃ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন।

কোভিড-১৯ এবং রোগ  প্রতিরোধ: সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর প্রবেশ নীতিমালা প্রয়োগ।

ই নিষেধাজ্ঞা সাময়িক বলে মনে করা হচ্ছে এবং আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য মূল্যায়ণের ওপর নির্ভর করে তা পর্যালোচনা করা হবে। তবে যারা বৈধ ভিসা নিয়ে এরই মধ্যে আমিরাতে বসবাস করছেন, তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন না।