জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | সময়: ০২:০৮ মিনিট ।বাগমারায় অস্ত্রসহ কিশোর আটক, উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় অস্ত্র ও মরিচের গুঁড়াসহ এক কিশোরকে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আটক কিশোরকে উদ্ধার করতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে পুলিশ সদস্যরা একপর্যায়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ সদস্যদের উদ্ধার করে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বিনোদপুর মরাকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক কিশোরটি মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, সে ভাড়াটে হিসেবে এলাকায় এসে ধরা পড়ে। তার কাছ থেকে একটি ব্যাগভর্তি দেশীয় অস্ত্র ও মরিচের গুঁড়া উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বিনোদপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে ১০-১২ জনের একটি দল প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি ছাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তারা বাড়িটি প্রতিপক্ষ রেজাউল করিমের দাবি বলে উল্লেখ করে। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে হামলার চেষ্টা চালানো হয়। স্থানীয়রা প্রতিরোধ গড়ে তুললে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়, তবে ওই কিশোরকে আটক করা হয়। পরে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই ডি এম জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেই লাঠিপেটা ও অশালীন আচরণ করে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়রা জড়ো হলে পুলিশ নিজেদের পরিচয় দেয়। এ সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শত শত মানুষ পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে রাত ১১টার দিকে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অতিরিক্ত পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করা হয় এবং আটক কিশোরকে থানায় নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হোসেন ও তার চাচাতো ভাই রেজাউল করিমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি ওই জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করলে বিরোধ আরও তীব্র হয়। এ নিয়ে আদালতেও মামলা রয়েছে। সাদ্দাম হোসেন অভিযোগ করেন, ভাড়াটে লোক এনে তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যদিকে রেজাউল করিম দাবি করেন, বাড়িটি তার এবং সাদ্দাম অবৈধভাবে দখল করে আছে। হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের এসআই ডি এম জহুরুল ইসলাম জানান, আটকে রাখা কিশোরকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। সাদা পোশাকে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তড়িঘড়ি করে যাওয়ায় ইউনিফর্ম পরা সম্ভব হয়নি।জেটিভি নিউজ বাংলা
সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

Reporter Name 






















