ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে জমির নথিপত্রে ভয়ংকর জালিয়াতি: সিরাজুল ইসলামের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়? শেরপুরের নবীনগরে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা: ইতিহাস, জনশ্রুতি আর গ্রামবাংলার উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে বর্ণিল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ চালু হলেও শুরুতেই ভোগান্তি, সার্ভার জটিলতায় বিপাকে গ্রাহকরা মানবিকতার স্পর্শে ফিরে পেলেন হারানো মোবাইল—অজ্ঞাত বাইকারে আবেগে ভাসলেন চেয়ারম্যান তীব্র গরমে পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি, অবহেলায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি রাজধানীতে বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের ইন্তেকাল হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ছাড়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত রাজশাহীতে ফুটপাত দখলের মহোৎসব, চাঁদাবাজির অভিযোগে জনদুর্ভোগ চরমে সৈয়দপুরে অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী দুলু, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হচ্ছে

সাভারে জমির নথিপত্রে ভয়ংকর জালিয়াতি: সিরাজুল ইসলামের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ৪ মিনিট আগে
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

সাভারে জমির নথিপত্রে ভয়ংকর জালিয়াতি: সিরাজুল ইসলামের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

জেটিভি নিউজ বাংলা |

বিশেষ প্রতিবেদন ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ইং, সময় : ০২ :৪০  মিনিট। সাভারের সাধাপুর মৌজায় শতকোটি টাকার জমি জালিয়াতির এক মাকড়সার জাল উন্মোচিত হয়েছে। সিএস মালিকানার তথ্য গোপন করে ভুয়া দলিলের মাধ্যমে সরকারি ও ব্যক্তিগত জমি ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রূপান্তরের এই মহোৎসবে নাম এসেছে জনৈক সিরাজুল ইসলামের। জেটিভি নিউজ বাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে নথিপত্রের পাহাড়সম গরমিল। জালিয়াতির শেকড় যেখানে: অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই জমির মূল ভিত্তি অর্থাৎ সিএস (CS) খতিয়ানে প্রকৃত মালিক হিসেবে রেকর্ডভুক্ত আছেন কৃপাময়ী দেবী গং। আবার কোনো নথিতে জালিয়াতি করে সিএস মালিক সাজানো হয়েছে ভুবন সাহাকে। অথচ বর্তমানে সিরাজুল ইসলাম যে জমিটি নিজের দাবি করছেন, তার এসএ (SA) ও আরএস (RS) খতিয়ানে মালিক হিসেবে নাম রয়েছে কেবল মিয়া ও দুদু মিয়াদের। মজার বিষয় হলো, সিএস-এর হিন্দু মালিকদের থেকে বর্তমানের এই মুসলিম দাবিদারদের নামে জমি হস্তান্তরের কোনো বৈধ ‘বায়া দলিল’ (Chain of Title) নেই। ভূমি আইন অনুযায়ী, সিএস মালিক থেকে বর্তমান মালিক পর্যন্ত দলিলের নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা না থাকলে সেই মালিকানা অবৈধ। সিরাজুল ইসলাম মূলত একটি ‘কাটা’ বা ‘ভুয়া’ দলিলের ওপর ভিত্তি করে এই বিশাল সাম্রাজ্য গড়ার চেষ্টা করছেন। সিরাজুল ইসলামের ‘রহস্যময়’ সাফাই: জালিয়াতির এই অকাট্য প্রমাণ নিয়ে সিরাজুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো আইনি ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হন। সিএস মালিকানার বৈচিত্র্য এবং জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, “আমি একা মালিক না, এখানে আরও লোক আছে। আপনার এখানে কি জানতে হবে?” তার এই বক্তব্য এখন জনমনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—সিরাজুল ইসলামের পেছনে সেই ‘আরও লোক’ কারা? তিনি কি কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই জালিয়াতি টিকিয়ে রাখছেন? একজন প্রকৃত জমির মালিক কখনোই তার মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন তুললে ‘অন্য লোক’ থাকার দোহাই দেবেন না, বরং বৈধ দলিল দেখাবেন। সিরাজুল ইসলামের এমন পিচ্ছিল মন্তব্যই প্রমাণ করে যে, এই জমির নথিপত্রে বড় ধরনের ঘাপলা রয়েছে। আইনি মারপ্যাঁচে সিরাজুল: জমি জালিয়াতি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ অনুযায়ী, যদি কেউ মালিকানার তথ্য গোপন করে বা ভুয়া বায়া দলিল তৈরি করে জমি দখল বা কেনাবেচা করে, তবে তা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ। সিরাজুল ইসলাম যে খতিয়ান বা সার্টিফাইড কপি দেখাচ্ছেন, তা রেকর্ড রুমের মূল ভলিউমের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সাভারে একের পর এক জমির সিএস রেকর্ড জালিয়াতি করে সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করছে একটি সিন্ডিকেট। সিরাজুল ইসলাম সেই সিন্ডিকেটের হিমশৈলের অগ্রভাগ মাত্র। এই জালিয়াতির সাথে ভূমি অফিসের কোনো অসাধু কর্মকর্তা জড়িত কি না এবং সিরাজুল ইসলামের পেছনের সেই ‘অজ্ঞাত’ ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের পরিচয় বের করতে জেটিভি নিউজ বাংলার অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে এবং   বিস্তারিত ভিডিও নিউজ এ থাকছে...  

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

   

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে জমির নথিপত্রে ভয়ংকর জালিয়াতি: সিরাজুল ইসলামের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

সাভারে জমির নথিপত্রে ভয়ংকর জালিয়াতি: সিরাজুল ইসলামের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

আপডেট সময় ৪ মিনিট আগে

সাভারে জমির নথিপত্রে ভয়ংকর জালিয়াতি: সিরাজুল ইসলামের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

জেটিভি নিউজ বাংলা |

বিশেষ প্রতিবেদন ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ইং, সময় : ০২ :৪০  মিনিট। সাভারের সাধাপুর মৌজায় শতকোটি টাকার জমি জালিয়াতির এক মাকড়সার জাল উন্মোচিত হয়েছে। সিএস মালিকানার তথ্য গোপন করে ভুয়া দলিলের মাধ্যমে সরকারি ও ব্যক্তিগত জমি ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রূপান্তরের এই মহোৎসবে নাম এসেছে জনৈক সিরাজুল ইসলামের। জেটিভি নিউজ বাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে নথিপত্রের পাহাড়সম গরমিল। জালিয়াতির শেকড় যেখানে: অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই জমির মূল ভিত্তি অর্থাৎ সিএস (CS) খতিয়ানে প্রকৃত মালিক হিসেবে রেকর্ডভুক্ত আছেন কৃপাময়ী দেবী গং। আবার কোনো নথিতে জালিয়াতি করে সিএস মালিক সাজানো হয়েছে ভুবন সাহাকে। অথচ বর্তমানে সিরাজুল ইসলাম যে জমিটি নিজের দাবি করছেন, তার এসএ (SA) ও আরএস (RS) খতিয়ানে মালিক হিসেবে নাম রয়েছে কেবল মিয়া ও দুদু মিয়াদের। মজার বিষয় হলো, সিএস-এর হিন্দু মালিকদের থেকে বর্তমানের এই মুসলিম দাবিদারদের নামে জমি হস্তান্তরের কোনো বৈধ ‘বায়া দলিল’ (Chain of Title) নেই। ভূমি আইন অনুযায়ী, সিএস মালিক থেকে বর্তমান মালিক পর্যন্ত দলিলের নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা না থাকলে সেই মালিকানা অবৈধ। সিরাজুল ইসলাম মূলত একটি ‘কাটা’ বা ‘ভুয়া’ দলিলের ওপর ভিত্তি করে এই বিশাল সাম্রাজ্য গড়ার চেষ্টা করছেন। সিরাজুল ইসলামের ‘রহস্যময়’ সাফাই: জালিয়াতির এই অকাট্য প্রমাণ নিয়ে সিরাজুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো আইনি ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হন। সিএস মালিকানার বৈচিত্র্য এবং জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, “আমি একা মালিক না, এখানে আরও লোক আছে। আপনার এখানে কি জানতে হবে?” তার এই বক্তব্য এখন জনমনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—সিরাজুল ইসলামের পেছনে সেই ‘আরও লোক’ কারা? তিনি কি কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই জালিয়াতি টিকিয়ে রাখছেন? একজন প্রকৃত জমির মালিক কখনোই তার মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন তুললে ‘অন্য লোক’ থাকার দোহাই দেবেন না, বরং বৈধ দলিল দেখাবেন। সিরাজুল ইসলামের এমন পিচ্ছিল মন্তব্যই প্রমাণ করে যে, এই জমির নথিপত্রে বড় ধরনের ঘাপলা রয়েছে। আইনি মারপ্যাঁচে সিরাজুল: জমি জালিয়াতি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ অনুযায়ী, যদি কেউ মালিকানার তথ্য গোপন করে বা ভুয়া বায়া দলিল তৈরি করে জমি দখল বা কেনাবেচা করে, তবে তা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ। সিরাজুল ইসলাম যে খতিয়ান বা সার্টিফাইড কপি দেখাচ্ছেন, তা রেকর্ড রুমের মূল ভলিউমের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সাভারে একের পর এক জমির সিএস রেকর্ড জালিয়াতি করে সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করছে একটি সিন্ডিকেট। সিরাজুল ইসলাম সেই সিন্ডিকেটের হিমশৈলের অগ্রভাগ মাত্র। এই জালিয়াতির সাথে ভূমি অফিসের কোনো অসাধু কর্মকর্তা জড়িত কি না এবং সিরাজুল ইসলামের পেছনের সেই ‘অজ্ঞাত’ ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের পরিচয় বের করতে জেটিভি নিউজ বাংলার অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে এবং   বিস্তারিত ভিডিও নিউজ এ থাকছে...  

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....