ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা: ইরানের তেল ‘হৃদপিণ্ড’ ঘিরে নতুন উত্তেজনা সাভারে জালিয়াতি রুখে কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার, হরমুজ প্রণালি খুলতে শুরু, মালয়েশিয়ার একটি জাহাজ পেলো চলাচলের দস্যুদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: আমিনবাজারে কঠোর অবস্থানে এসিল্যান্ড শাহাদাত হাম উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩ সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী গ্রেফতার, ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় সরকার হাজারীবাগে বিশেষ অভিযানে ২৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার ইরানে দুই ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’র ফাঁসি কার্যকর হামের টিকাদান শুরু—৬ মাস থেকে ৫ বছরের সব শিশুকে টিকা দেওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সাভারে জালিয়াতি রুখে কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার,

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং | 🕒 ০৪:৩৬ মিনিট

সাভারে জালিয়াতি রুখে কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার,

  এসিল্যান্ডের দৃঢ়তায় ভেস্তে গেল ভূমিদস্যুদের পরিকল্পনা রাজধানীর অদূরে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি জমি দখলের অপচেষ্টা নস্যাৎ করে কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার করেছে প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খানের দৃঢ় অবস্থান ও সততার কারণে চাঞ্চল্যকর এই জালিয়াতির ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও ভূমি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কাউন্দিয়া মৌজার প্রায় এক একর সরকারি জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একটি প্রভাবশালী চক্র সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তারা ২০২৪ সালে খতিয়ান সংশোধনের জন্য একটি মিস মামলা দায়ের করে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া খতিয়ান আদালতে উপস্থাপন করে। তদন্তে জানা যায়, প্রকৃত রেকর্ডে জমির পরিমাণ ১৪৬ শতাংশ থাকলেও জাল নথিতে তা বাড়িয়ে ২৪৬ শতাংশ দেখানো হয়। এই জালিয়াতির ভিত্তিতেই ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি আদেশ নিয়ে অতিরিক্ত প্রায় এক একর জমি নিজেদের নামে নামজারি করে নেয় চক্রটি। দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি নজরে আসতেই তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেন এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান। প্রভাবশালী মহলের চাপ ও নানা প্রলোভন উপেক্ষা করে তিনি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চালিয়ে যান। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিশ্চিত হয় যে খতিয়ানটি সম্পূর্ণ জাল। আদালত পূর্বের আদেশ বাতিল করে জাল খতিয়ান অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট সকল নামজারি বাতিলের নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে সঠিক রেকর্ড অনলাইনে হালনাগাদ করা হয়। অবশেষে, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করা হয় এবং সেখানে সাইনবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে সরকারি দখল নিশ্চিত করা হয়। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, “প্রতারণা করে কেউ স্থায়ীভাবে লাভবান হতে পারে না। সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই—আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।” তিনি আরও জানান, ভূমিদস্যু ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা: ইরানের তেল ‘হৃদপিণ্ড’ ঘিরে নতুন উত্তেজনা

সাভারে জালিয়াতি রুখে কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার,

আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং | 🕒 ০৪:৩৬ মিনিট

সাভারে জালিয়াতি রুখে কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার,

  এসিল্যান্ডের দৃঢ়তায় ভেস্তে গেল ভূমিদস্যুদের পরিকল্পনা রাজধানীর অদূরে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি জমি দখলের অপচেষ্টা নস্যাৎ করে কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার করেছে প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খানের দৃঢ় অবস্থান ও সততার কারণে চাঞ্চল্যকর এই জালিয়াতির ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও ভূমি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কাউন্দিয়া মৌজার প্রায় এক একর সরকারি জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একটি প্রভাবশালী চক্র সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তারা ২০২৪ সালে খতিয়ান সংশোধনের জন্য একটি মিস মামলা দায়ের করে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া খতিয়ান আদালতে উপস্থাপন করে। তদন্তে জানা যায়, প্রকৃত রেকর্ডে জমির পরিমাণ ১৪৬ শতাংশ থাকলেও জাল নথিতে তা বাড়িয়ে ২৪৬ শতাংশ দেখানো হয়। এই জালিয়াতির ভিত্তিতেই ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি আদেশ নিয়ে অতিরিক্ত প্রায় এক একর জমি নিজেদের নামে নামজারি করে নেয় চক্রটি। দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি নজরে আসতেই তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেন এসিল্যান্ড শাহাদাত হোসেন খান। প্রভাবশালী মহলের চাপ ও নানা প্রলোভন উপেক্ষা করে তিনি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চালিয়ে যান। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিশ্চিত হয় যে খতিয়ানটি সম্পূর্ণ জাল। আদালত পূর্বের আদেশ বাতিল করে জাল খতিয়ান অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট সকল নামজারি বাতিলের নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে সঠিক রেকর্ড অনলাইনে হালনাগাদ করা হয়। অবশেষে, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করা হয় এবং সেখানে সাইনবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে সরকারি দখল নিশ্চিত করা হয়। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, “প্রতারণা করে কেউ স্থায়ীভাবে লাভবান হতে পারে না। সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই—আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।” তিনি আরও জানান, ভূমিদস্যু ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....