ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বারছে গরম অসুস্থ হচ্ছে শিশু থেকে বৃদ্ধ  ছোট উপসর্গেই বড় ভয়: ‘ইলনেস অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার’ থেকে মুক্তির কার্যকর উপায় বাণিজ্য ঘাটতির চাপ বাড়ছে, অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত মানবীয় হস্তক্ষেপ ছাড়াই ভ্যাট নিরীক্ষা: ঝুঁকি বিশ্লেষণে ৬০০ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত গাজীপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী ইরানকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে পারমাণবিক হামলার, তবে ভয় পায় না—ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত ইরানি তরুণরা সরকারবিরোধী আন্দোলনের পরও দেশপ্রেমে একাত্ম, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি হত্যা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিম জেলে পাঠানোর আবেদন নির্বাচনি ব্যয়ে ২৩ লাখ: ঢাকা-১৭ আসনে জয়ী তারেক রহমান ঢাকার সাভারে এক যুবককে জবাই করে হত্যা। 

ছোট উপসর্গেই বড় ভয়: ‘ইলনেস অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার’ থেকে মুক্তির কার্যকর উপায়

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ৭ ঘন্টা আগে
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

📅 ৩ এপ্রিল ২০২৬ | 🕒 সময়: ০৯:০৭ মিনিট।

ছোট উপসর্গেই বড় ভয়: ‘ইলনেস অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার’ থেকে মুক্তির কার্যকর উপায়

  শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা—যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Illness Anxiety Disorder (আগে পরিচিত ছিল Hypochondriasis নামে)—বর্তমানে অনেকের মধ্যেই বাড়ছে। বারবার শারীরিক পরীক্ষা করানোর পরও রিপোর্ট স্বাভাবিক আসলেও রোগের ভয় থেকে বের হতে না পারা এই মানসিক সমস্যার মূল লক্ষণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তন নিয়েও অতিরিক্ত চিন্তিত থাকেন। যেমন—হালকা মাথাব্যথা, সামান্য বুক ধড়ফড় বা পালস বাড়া—এসবকেই বড় রোগের লক্ষণ মনে হয়। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা— প্রথমত, ‘বডি স্ক্যানিং’ বা সারাক্ষণ নিজের শরীর পর্যবেক্ষণের অভ্যাস কমাতে হবে। এতে উদ্বেগ আরও বাড়ে। বরং স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজে মনোযোগী হওয়া জরুরি। দ্বিতীয়ত, ‘সাইবারকোন্ড্রিয়া’ অর্থাৎ সামান্য উপসর্গ নিয়ে ইন্টারনেটে বারবার খোঁজাখুঁজি করা বন্ধ করতে হবে। অনলাইনে অনেক সময় সাধারণ লক্ষণকেও গুরুতর রোগ হিসেবে দেখানো হয়, যা মানসিক চাপ বাড়ায়। তৃতীয়ত, দুশ্চিন্তার বিকল্প ব্যাখ্যা খোঁজার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক শারীরিক উপসর্গই আসলে মানসিক উদ্বেগের প্রকাশ। তাই নিজেকে বোঝাতে হবে—এটি বড় কোনও রোগ নয়, বরং উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া। চতুর্থত, একজন নির্দিষ্ট চিকিৎসকের ওপর আস্থা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বারবার ডাক্তার পরিবর্তন বা অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে বিরত থাকা উচিত। সবশেষে, এই সমস্যার কার্যকর সমাধানে Cognitive Behavioral Therapy গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে স্বল্পমেয়াদি ওষুধও সহায়ক হতে পারে। এছাড়া নিয়মিত Meditation, যোগব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই মানসিক সমস্যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

ট্যাগস

বারছে গরম অসুস্থ হচ্ছে শিশু থেকে বৃদ্ধ 

ছোট উপসর্গেই বড় ভয়: ‘ইলনেস অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার’ থেকে মুক্তির কার্যকর উপায়

আপডেট সময় ৭ ঘন্টা আগে

জেটিভি নিউজ বাংলা

📅 ৩ এপ্রিল ২০২৬ | 🕒 সময়: ০৯:০৭ মিনিট।

ছোট উপসর্গেই বড় ভয়: ‘ইলনেস অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার’ থেকে মুক্তির কার্যকর উপায়

  শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা—যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Illness Anxiety Disorder (আগে পরিচিত ছিল Hypochondriasis নামে)—বর্তমানে অনেকের মধ্যেই বাড়ছে। বারবার শারীরিক পরীক্ষা করানোর পরও রিপোর্ট স্বাভাবিক আসলেও রোগের ভয় থেকে বের হতে না পারা এই মানসিক সমস্যার মূল লক্ষণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তন নিয়েও অতিরিক্ত চিন্তিত থাকেন। যেমন—হালকা মাথাব্যথা, সামান্য বুক ধড়ফড় বা পালস বাড়া—এসবকেই বড় রোগের লক্ষণ মনে হয়। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা— প্রথমত, ‘বডি স্ক্যানিং’ বা সারাক্ষণ নিজের শরীর পর্যবেক্ষণের অভ্যাস কমাতে হবে। এতে উদ্বেগ আরও বাড়ে। বরং স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজে মনোযোগী হওয়া জরুরি। দ্বিতীয়ত, ‘সাইবারকোন্ড্রিয়া’ অর্থাৎ সামান্য উপসর্গ নিয়ে ইন্টারনেটে বারবার খোঁজাখুঁজি করা বন্ধ করতে হবে। অনলাইনে অনেক সময় সাধারণ লক্ষণকেও গুরুতর রোগ হিসেবে দেখানো হয়, যা মানসিক চাপ বাড়ায়। তৃতীয়ত, দুশ্চিন্তার বিকল্প ব্যাখ্যা খোঁজার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক শারীরিক উপসর্গই আসলে মানসিক উদ্বেগের প্রকাশ। তাই নিজেকে বোঝাতে হবে—এটি বড় কোনও রোগ নয়, বরং উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া। চতুর্থত, একজন নির্দিষ্ট চিকিৎসকের ওপর আস্থা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বারবার ডাক্তার পরিবর্তন বা অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে বিরত থাকা উচিত। সবশেষে, এই সমস্যার কার্যকর সমাধানে Cognitive Behavioral Therapy গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে স্বল্পমেয়াদি ওষুধও সহায়ক হতে পারে। এছাড়া নিয়মিত Meditation, যোগব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই মানসিক সমস্যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।  

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...