ঢাকা , বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন গ্রামের দখল যুদ্ধ: লক্ষ্মীপুরে গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে বসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর সম্ভাব্য আলোচনার নতুন আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা পতনে পোশাক রপ্তানি, কর্মসংস্থানে শঙ্কার মেঘ কূটনীতিককে পেছন থেকে জড়িয়ে! ঈদের খুনসুটি নাকি ‘অতিরিক্ত আবেগ’—ট্রলে সরব নেটদুনিয়া পরিবারের বাইরে, দায়িত্বেই ঈদ—রাজধানীর সড়কে ব্যস্ত ট্রাফিক পুলিশ ঈদের দিনেও রাজধানীতে সচল গণপরিবহন, যাত্রী কম হলেও চলছে বাস-সিএনজি ইসরায়েলে ড্রোন হামলা, নেতানিয়াহু টার্গেট

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

 

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন

ছবি ফেইসবুক আইডি থেকে সংরক্ষিত   স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ঢাকা   সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ আবেদন দাখিল করেন। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর ছাড়াও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ফ্যাশন মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনরুজ্জীবনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এর মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক দলের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, এসব বক্তব্য ও অনলাইন কার্যক্রমের প্রভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু কর্মী উসকানি পেয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে অবকাঠামো ধ্বংসসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন

আপডেট সময় ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
 

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন

ছবি ফেইসবুক আইডি থেকে সংরক্ষিত   স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ঢাকা   সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ আবেদন দাখিল করেন। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর ছাড়াও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ফ্যাশন মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনরুজ্জীবনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এর মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক দলের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, এসব বক্তব্য ও অনলাইন কার্যক্রমের প্রভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু কর্মী উসকানি পেয়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে অবকাঠামো ধ্বংসসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।