ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬ যুদ্ধবিরতি কাগজে-কলমে, যুদ্ধ চলছে মাঠে: আন্তর্জাতিক আইন কি ব্যর্থ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন উপসর্গ শনাক্ত ১ হাজার ৩২ জনের কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, নতুন বাজেটে অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর বড় পরিকল্পনা বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ক জোরদার, প্রতিরক্ষা ও আইসিটি খাতে যৌথ কাজের ঘোষণা পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো ঢাকাগামী ‘এসবি সুপার ডিলাক্স’ বাস, নেই কোনো প্রাণহানির খবর প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বাড়ছে অসুস্থতা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বখ্যাত গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’-এর স্রষ্টা মারজান সাত্রাপি আর নেই ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

সুদানে জাতিসংঘ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা: নিহত ছয় বাংলাদেশির একজন গাইবান্ধার সবুজ মিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা আন্তর্জাতিক   সুদানে জাতিসংঘ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা: নিহত ছয় বাংলাদেশির একজন গাইবান্ধার সবুজ মিয়া
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মধ্যে একজন হলেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মো. সবুজ মিয়া। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহত সবুজ মিয়া পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি (ছোট ভগবানপুর) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হাবিবুর রহমান ও ছকিনা বেগমের ছেলে। ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়ে মা–ই ছিলেন তার একমাত্র আশ্রয়। সবুজ মিয়ার মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের মাতম। তার মা, স্ত্রী ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গ্রামজুড়ে। মহদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আকন্দ জানান, প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে সবুজ মিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। বড় বোনের ইতোমধ্যে বিয়ে হয়েছে। এক বছর আগে নাটোর জেলায় বিয়ে করেন সবুজ মিয়া। তার স্ত্রী ও মা বর্তমানে বাড়িতেই অবস্থান করছেন। স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে ছুটিতে বাড়িতে এসে পুনরায় সুদানে কর্মস্থলে যোগ দেন সবুজ। পরিবারের সঙ্গে কাটানো সেই শেষ সময়টাই আজ স্মৃতির হয়ে আছে। এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ বলেন, নিহত শান্তিরক্ষীর বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দ্রুতই বিস্তারিত জানানো হবে। উল্লেখ্য, শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিক বেসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালায়। এ হামলায় দায়িত্ব পালনরত ছয় জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও আট জন আহত হন।

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল-আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ও কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ; আহত অন্তত ৬

সুদানে জাতিসংঘ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা: নিহত ছয় বাংলাদেশির একজন গাইবান্ধার সবুজ মিয়া

আপডেট সময় ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
জেটিভি নিউজ বাংলা আন্তর্জাতিক   সুদানে জাতিসংঘ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা: নিহত ছয় বাংলাদেশির একজন গাইবান্ধার সবুজ মিয়া
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মধ্যে একজন হলেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মো. সবুজ মিয়া। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহত সবুজ মিয়া পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি (ছোট ভগবানপুর) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হাবিবুর রহমান ও ছকিনা বেগমের ছেলে। ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়ে মা–ই ছিলেন তার একমাত্র আশ্রয়। সবুজ মিয়ার মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের মাতম। তার মা, স্ত্রী ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গ্রামজুড়ে। মহদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আকন্দ জানান, প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে সবুজ মিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। বড় বোনের ইতোমধ্যে বিয়ে হয়েছে। এক বছর আগে নাটোর জেলায় বিয়ে করেন সবুজ মিয়া। তার স্ত্রী ও মা বর্তমানে বাড়িতেই অবস্থান করছেন। স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে ছুটিতে বাড়িতে এসে পুনরায় সুদানে কর্মস্থলে যোগ দেন সবুজ। পরিবারের সঙ্গে কাটানো সেই শেষ সময়টাই আজ স্মৃতির হয়ে আছে। এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ বলেন, নিহত শান্তিরক্ষীর বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দ্রুতই বিস্তারিত জানানো হবে। উল্লেখ্য, শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিক বেসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলা চালায়। এ হামলায় দায়িত্ব পালনরত ছয় জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও আট জন আহত হন।