ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দীপু মনি বললেন, ‘এখন আর জামিন চাই না, বাড়ি যাওয়ার তাড়া ফুরিয়েছে’ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, হইচইয়ে তোপের মুখে সালাহউদ্দিন আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট ২৫ টাকায় কিনবে সরকার সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১২৯ বার পেছাল, নতুন তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পোশাকবাজারে তন্তুর পরিবর্তন, তুলানির্ভরতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর ৫৪০ কোটি টাকার চার ফ্লাইওভার প্রকল্পে ধীরগতি, বাড়ছে জনদুর্ভোগ রংপুরে চার খুনের পর মহানগর পুলিশ কমিশনার বদলি রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর: প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় লাখো মানুষ, বাড়ছে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর সরকার, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট ২৫ টাকায় কিনবে সরকার

 জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২৭ আগস্ট ২০২৬ ইং,সময় ঃ বিকাল ০৩:৪৬ মিনিট।

 আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট ২৫ টাকায় কিনবে সরকার

ঢাকার আমিনবাজারের ল্যান্ডফিলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের কাজ করছে একটি চীনা কোম্পানি। প্রকল্পটি চালু হলে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। মীর শাহে আলম বলেন, আগামী দেড় বছরের মধ্যে চীন জাতীয় গ্রিডে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে। অর্থাৎ ময়লা-আবর্জনা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হবে। তিনি জানান, এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীনের বেইজিংয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে প্রকল্পটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তি হয়েছে। চূড়ান্ত অর্থায়ন চুক্তি হবে বিনিয়োগকারী ব্যাংক, কোম্পানি এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কিছুটা বেশি হবে। সরকার প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে তাদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনবে। সাধারণভাবে প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দাম অনেক বেশি মনে হতে পারে। তবে এই প্রকল্পে বাংলাদেশের লাভ অন্য জায়গায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের ময়লা-আবর্জনাগুলো তো তারা ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং সেখানে যে ময়লা-আবর্জনা ও ওয়েস্ট থাকছে, সেখান থেকে জৈব সার হচ্ছে। তারা ল্যান্ডফিল ব্যবহার করবে। এটার জন্য তারা সিটি করপোরেশনকে মাসিক একটা ভাড়া দেবে। আর এই জায়গায় বাংলাদেশ সরকারের বিন্দুমাত্র কোনো ইনভেস্ট করতে হচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ময়লা-আবর্জনা আমাদের একটা বড় বোঝা—এই জাতির জন্য, ঢাকা শহরের জন্য। তো এখান থেকে যদি তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আমাদেরকে ফ্রি দেয় এবং মূল্যটা বেশি মনে হচ্ছে, কিন্তু পরিবেশের দিক বিবেচনা করলে আমাদের ওই খরচটা আবার অন্যভাবে চলে আসবে।’ মীর শাহে আলম জানান, চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মোংলা বন্দর উন্নয়নেও চীনের আগ্রহ রয়েছে। মোংলা বন্দর উন্নয়নের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পাওয়ার চায়না’ নামে একটি কোম্পানি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বললাম যে, পাওয়ার চায়না কোম্পানিকে আপনারা একটু অনুরোধ করেন—যাতে দ্রুত তারা আমাদের দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে যে ওয়েস্ট আছে, এই ওয়েস্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আমাদের জাতীয় গ্রিডে দিতে পারে।’ তিনি জানান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে থাকা বর্জ্য থেকেও প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, জৈব সার তৈরি এবং ল্যান্ডফিল ব্যবহারের বিনিময়ে সিটি করপোরেশনের রাজস্ব পাওয়ার সুযোগ থাকায় প্রকল্পটি পরিবেশ ও নগর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দীপু মনি বললেন, ‘এখন আর জামিন চাই না, বাড়ি যাওয়ার তাড়া ফুরিয়েছে’

আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট ২৫ টাকায় কিনবে সরকার

আপডেট সময় ১৭ ঘন্টা আগে

 জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২৭ আগস্ট ২০২৬ ইং,সময় ঃ বিকাল ০৩:৪৬ মিনিট।

 আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, প্রতি ইউনিট ২৫ টাকায় কিনবে সরকার

ঢাকার আমিনবাজারের ল্যান্ডফিলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের কাজ করছে একটি চীনা কোম্পানি। প্রকল্পটি চালু হলে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে কিনবে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। মীর শাহে আলম বলেন, আগামী দেড় বছরের মধ্যে চীন জাতীয় গ্রিডে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে। অর্থাৎ ময়লা-আবর্জনা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হবে। তিনি জানান, এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীনের বেইজিংয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে প্রকল্পটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তি হয়েছে। চূড়ান্ত অর্থায়ন চুক্তি হবে বিনিয়োগকারী ব্যাংক, কোম্পানি এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কিছুটা বেশি হবে। সরকার প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে তাদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনবে। সাধারণভাবে প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দাম অনেক বেশি মনে হতে পারে। তবে এই প্রকল্পে বাংলাদেশের লাভ অন্য জায়গায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের ময়লা-আবর্জনাগুলো তো তারা ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং সেখানে যে ময়লা-আবর্জনা ও ওয়েস্ট থাকছে, সেখান থেকে জৈব সার হচ্ছে। তারা ল্যান্ডফিল ব্যবহার করবে। এটার জন্য তারা সিটি করপোরেশনকে মাসিক একটা ভাড়া দেবে। আর এই জায়গায় বাংলাদেশ সরকারের বিন্দুমাত্র কোনো ইনভেস্ট করতে হচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ময়লা-আবর্জনা আমাদের একটা বড় বোঝা—এই জাতির জন্য, ঢাকা শহরের জন্য। তো এখান থেকে যদি তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আমাদেরকে ফ্রি দেয় এবং মূল্যটা বেশি মনে হচ্ছে, কিন্তু পরিবেশের দিক বিবেচনা করলে আমাদের ওই খরচটা আবার অন্যভাবে চলে আসবে।’ মীর শাহে আলম জানান, চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মোংলা বন্দর উন্নয়নেও চীনের আগ্রহ রয়েছে। মোংলা বন্দর উন্নয়নের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পাওয়ার চায়না’ নামে একটি কোম্পানি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বললাম যে, পাওয়ার চায়না কোম্পানিকে আপনারা একটু অনুরোধ করেন—যাতে দ্রুত তারা আমাদের দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে যে ওয়েস্ট আছে, এই ওয়েস্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আমাদের জাতীয় গ্রিডে দিতে পারে।’ তিনি জানান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে থাকা বর্জ্য থেকেও প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, জৈব সার তৈরি এবং ল্যান্ডফিল ব্যবহারের বিনিময়ে সিটি করপোরেশনের রাজস্ব পাওয়ার সুযোগ থাকায় প্রকল্পটি পরিবেশ ও নগর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....