ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রাজীব ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সমরের মায়ের ইন্তেকাল বিশুদ্ধ পানি ও ডিজিটাল তথ্যসেবায় স্বস্তি ভূমি সেবাগ্রহীতাদের যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ক্ষোভ, বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে পদবঞ্চিত নেতাদের বিক্ষোভ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মাদারগঞ্জে বিএনপি নেতা সোহেল রানা স্থায়ী বহিষ্কার হবিগঞ্জের বানিয়াচঙ্গে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে সংঘর্ষ, ওসিসহ অর্ধশতাধিক আহত ৭২ ঘণ্টা উত্তেজনার পর পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ দেশে খাদ্য অপচয় বছরে ৩৫ লাখ টন, অপচয় কমাতে নানা উদ্যোগের কথা জানালেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাপক সংস্কারের বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী সংসদ সচিবালয় নিয়ে অভিযোগ থাকলে সরাসরি স্পিকারকে লিখিতভাবে জানানোর আহ্বান জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত

নব্বইয়ের দশকের জীবন: সরলতায় ভরা এক রঙিন সময়, বর্তমান প্রজন্মের জন্য কী শিক্ষা রেখে গেছে সেই যুগ?

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৭ জুন ২০২৬ ইং | বিশেষ প্রতিবেদন,সময় বেলা  ০২:১৮ মিনিট

নব্বইয়ের দশকের জীবন: সরলতায় ভরা এক রঙিন সময়, বর্তমান প্রজন্মের জন্য কী শিক্ষা রেখে গেছে সেই যুগ?

একসময় সন্ধ্যা নামলেই পাড়া-মহল্লার মাঠগুলো ভরে উঠত শিশু-কিশোরদের কোলাহলে। ক্রিকেট, ফুটবল, গোল্লাছুট, দাঁড়িয়াবান্ধা কিংবা কানামাছি—এসব খেলাই ছিল বিনোদনের প্রধান মাধ্যম। বন্ধুত্ব ছিল মুখোমুখি, সম্পর্ক ছিল আন্তরিক, আর আনন্দ খুঁজে পাওয়া যেত ছোট ছোট বিষয়েও। নব্বইয়ের দশকের সেই জীবনধারা আজকের ডিজিটাল যুগে অনেকটাই স্মৃতির অংশ হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নব্বইয়ের দশক ছিল প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগের বিস্তৃত উপস্থিতির একটি সময়। তখন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথোপকথন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামাজিক বন্ধন ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। শিশু-কিশোররা অধিকাংশ সময় কাটাত খেলাধুলা, বই পড়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি মেলামেশার মাধ্যমে। কিশোর-তরুণদের জীবন ছিল বৈচিত্র্যময় নব্বইয়ের দশকের কিশোর-তরুণদের কাছে আনন্দের উৎস ছিল অনেক ভিন্ন। নতুন বই পাওয়া, ঈদের নতুন পোশাক, পত্রিকার সাহিত্যপাতা, রেডিও অনুষ্ঠান, টেলিভিশনের সাপ্তাহিক নাটক কিংবা প্রিয় শিল্পীর গান শোনা—এসবই ছিল বড় ধরনের আনন্দের উপলক্ষ। তখন মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অনলাইন গেমের প্রচলন ছিল না বললেই চলে। ফলে মানুষ বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রকৃতি, পরিবার এবং সমাজের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল। বন্ধুরা একে অপরের বাড়িতে যেত, ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করত, আর সম্পর্কগুলো গড়ে উঠত বিশ্বাস ও আন্তরিকতার ভিত্তিতে।

বর্তমান প্রজন্মের বাস্তবতা

বর্তমান সময় প্রযুক্তিনির্ভর। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনকে সহজ করেছে। তথ্যপ্রাপ্তি এখন মুহূর্তের ব্যাপার। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। তবে প্রযুক্তির এই অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। অনেক কিশোর-তরুণ দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করছে। শারীরিক খেলাধুলা, পারিবারিক যোগাযোগ এবং বই পড়ার অভ্যাস তুলনামূলকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে একদিকে তথ্যের বিস্তার ঘটলেও অন্যদিকে একাকীত্ব, মানসিক চাপ এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মতো সমস্যাও বাড়ছে বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা। নব্বইয়ের দশক বনাম বর্তমান সময় নব্বইয়ের দশক বর্তমান সময় মাঠভিত্তিক খেলাধুলা মোবাইল ও অনলাইন গেম মুখোমুখি বন্ধুত্ব ভার্চুয়াল যোগাযোগ বই ও পত্রিকা নির্ভর জ্ঞান ইন্টারনেট নির্ভর তথ্য পারিবারিক আড্ডা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ব্যস্ততা সীমিত প্রযুক্তি প্রযুক্তিনির্ভর জীবন প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ডিজিটাল পরিসরে বেশি সময়

বর্তমান প্রজন্মের জন্য  বার্তা

প্রযুক্তি আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন মানবিক মূল্যবোধ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক দায়িত্ববোধকে দুর্বল না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। নব্বইয়ের দশক আমাদের শিখিয়েছে— পরিবারই জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রকৃত বন্ধুত্ব তৈরি হয় বিশ্বাস ও সময়ের মাধ্যমে। বই মানুষের চিন্তাশক্তিকে সমৃদ্ধ করে। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, তবে প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণে জীবন পরিচালিত হওয়া উচিত নয়। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা কোনো ভার্চুয়াল জগতের বিকল্প হতে পারে না। সাফল্যের জন্য ধৈর্য, পরিশ্রম এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকল্প নেই।

ভবিষ্যতের জন্য করণীয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রজন্মের উচিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি নব্বইয়ের দশকের ইতিবাচক মূল্যবোধগুলো ধারণ করা। প্রতিদিন কিছু সময় পরিবারের সঙ্গে কাটানো, নিয়মিত বই পড়া, খেলাধুলা করা, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়ে তোলা সম্ভব। নব্বইয়ের দশক হয়তো আর ফিরে আসবে না, কিন্তু সেই সময়ের মানবিকতা, আন্তরিকতা, পারিবারিক বন্ধন এবং সরল জীবনদর্শন আজও প্রাসঙ্গিক। প্রযুক্তির যুগে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেই মূল্যবোধগুলো ধরে রাখতে পারলেই গড়ে উঠবে আরও সচেতন, মানবিক ও দায়িত্বশীল নতুন প্রজন্ম।

জেটিভি নিউজ বাংলা মনে করে, আধুনিক প্রযুক্তি ও নব্বইয়ের দশকের মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ই হতে পারে আগামী দিনের সবচেয়ে সুন্দর সমাজ গঠনের ভিত্তি।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রাজীব ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সমরের মায়ের ইন্তেকাল

নব্বইয়ের দশকের জীবন: সরলতায় ভরা এক রঙিন সময়, বর্তমান প্রজন্মের জন্য কী শিক্ষা রেখে গেছে সেই যুগ?

আপডেট সময় ০২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ৭ জুন ২০২৬ ইং | বিশেষ প্রতিবেদন,সময় বেলা  ০২:১৮ মিনিট

নব্বইয়ের দশকের জীবন: সরলতায় ভরা এক রঙিন সময়, বর্তমান প্রজন্মের জন্য কী শিক্ষা রেখে গেছে সেই যুগ?

একসময় সন্ধ্যা নামলেই পাড়া-মহল্লার মাঠগুলো ভরে উঠত শিশু-কিশোরদের কোলাহলে। ক্রিকেট, ফুটবল, গোল্লাছুট, দাঁড়িয়াবান্ধা কিংবা কানামাছি—এসব খেলাই ছিল বিনোদনের প্রধান মাধ্যম। বন্ধুত্ব ছিল মুখোমুখি, সম্পর্ক ছিল আন্তরিক, আর আনন্দ খুঁজে পাওয়া যেত ছোট ছোট বিষয়েও। নব্বইয়ের দশকের সেই জীবনধারা আজকের ডিজিটাল যুগে অনেকটাই স্মৃতির অংশ হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নব্বইয়ের দশক ছিল প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগের বিস্তৃত উপস্থিতির একটি সময়। তখন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথোপকথন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামাজিক বন্ধন ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। শিশু-কিশোররা অধিকাংশ সময় কাটাত খেলাধুলা, বই পড়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি মেলামেশার মাধ্যমে। কিশোর-তরুণদের জীবন ছিল বৈচিত্র্যময় নব্বইয়ের দশকের কিশোর-তরুণদের কাছে আনন্দের উৎস ছিল অনেক ভিন্ন। নতুন বই পাওয়া, ঈদের নতুন পোশাক, পত্রিকার সাহিত্যপাতা, রেডিও অনুষ্ঠান, টেলিভিশনের সাপ্তাহিক নাটক কিংবা প্রিয় শিল্পীর গান শোনা—এসবই ছিল বড় ধরনের আনন্দের উপলক্ষ। তখন মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অনলাইন গেমের প্রচলন ছিল না বললেই চলে। ফলে মানুষ বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, প্রকৃতি, পরিবার এবং সমাজের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল। বন্ধুরা একে অপরের বাড়িতে যেত, ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করত, আর সম্পর্কগুলো গড়ে উঠত বিশ্বাস ও আন্তরিকতার ভিত্তিতে।

বর্তমান প্রজন্মের বাস্তবতা

বর্তমান সময় প্রযুক্তিনির্ভর। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনকে সহজ করেছে। তথ্যপ্রাপ্তি এখন মুহূর্তের ব্যাপার। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। তবে প্রযুক্তির এই অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। অনেক কিশোর-তরুণ দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করছে। শারীরিক খেলাধুলা, পারিবারিক যোগাযোগ এবং বই পড়ার অভ্যাস তুলনামূলকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে একদিকে তথ্যের বিস্তার ঘটলেও অন্যদিকে একাকীত্ব, মানসিক চাপ এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মতো সমস্যাও বাড়ছে বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা। নব্বইয়ের দশক বনাম বর্তমান সময় নব্বইয়ের দশক বর্তমান সময় মাঠভিত্তিক খেলাধুলা মোবাইল ও অনলাইন গেম মুখোমুখি বন্ধুত্ব ভার্চুয়াল যোগাযোগ বই ও পত্রিকা নির্ভর জ্ঞান ইন্টারনেট নির্ভর তথ্য পারিবারিক আড্ডা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ব্যস্ততা সীমিত প্রযুক্তি প্রযুক্তিনির্ভর জীবন প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ডিজিটাল পরিসরে বেশি সময়

বর্তমান প্রজন্মের জন্য  বার্তা

প্রযুক্তি আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন মানবিক মূল্যবোধ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক দায়িত্ববোধকে দুর্বল না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন। নব্বইয়ের দশক আমাদের শিখিয়েছে— পরিবারই জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রকৃত বন্ধুত্ব তৈরি হয় বিশ্বাস ও সময়ের মাধ্যমে। বই মানুষের চিন্তাশক্তিকে সমৃদ্ধ করে। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, তবে প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণে জীবন পরিচালিত হওয়া উচিত নয়। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা কোনো ভার্চুয়াল জগতের বিকল্প হতে পারে না। সাফল্যের জন্য ধৈর্য, পরিশ্রম এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকল্প নেই।

ভবিষ্যতের জন্য করণীয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রজন্মের উচিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি নব্বইয়ের দশকের ইতিবাচক মূল্যবোধগুলো ধারণ করা। প্রতিদিন কিছু সময় পরিবারের সঙ্গে কাটানো, নিয়মিত বই পড়া, খেলাধুলা করা, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়ে তোলা সম্ভব। নব্বইয়ের দশক হয়তো আর ফিরে আসবে না, কিন্তু সেই সময়ের মানবিকতা, আন্তরিকতা, পারিবারিক বন্ধন এবং সরল জীবনদর্শন আজও প্রাসঙ্গিক। প্রযুক্তির যুগে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেই মূল্যবোধগুলো ধরে রাখতে পারলেই গড়ে উঠবে আরও সচেতন, মানবিক ও দায়িত্বশীল নতুন প্রজন্ম।

জেটিভি নিউজ বাংলা মনে করে, আধুনিক প্রযুক্তি ও নব্বইয়ের দশকের মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ই হতে পারে আগামী দিনের সবচেয়ে সুন্দর সমাজ গঠনের ভিত্তি।

 

জেটিভি নিউজ বাংলা

দেশ ও দশের কথা বলে.....