ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

তরমুজে ইঁদুর মারার বিষ, মুম্বাইয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়

জেটিভি নিউজ বাংলা

  তারিখ : ৭ মে ২০২৬ ইং | সময় : রাত ১০:০২ মিনিট।

তরমুজে ইঁদুর মারার বিষ, মুম্বাইয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। প্রথমে এটিকে খাদ্য বিষক্রিয়ার ঘটনা মনে করা হলেও ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, তাদের মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ার কারণে। নিহতদের দেহ এবং তারা যে তরমুজ খেয়েছিলেন সেই ফলের নমুনায় ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত ‘জিঙ্ক ফসফাইট’ নামের একটি বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ৪৫ বছর বয়সী আবদুল্লাহ দোকাদিয়া তার স্ত্রী ৩৫ বছর বয়সী নাসরিন এবং দুই মেয়ে—১৩ বছরের জয়নাব ও ১৬ বছরের আয়েশাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। অতিথিদের জন্য খাসির পোলাও রান্না করা হয়েছিল। নৈশভোজ শেষে আত্মীয়রা চলে যাওয়ার পর রাত প্রায় ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তরমুজ খান। এরপর ভোর ৫টার দিকে পরিবারের সবাই হঠাৎ তীব্র বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরিবারের চার সদস্যই মারা যান। ফরেনসিক তদন্তে চিকিৎসকরা নিহতদের শরীরে জিঙ্ক ফসফাইটের অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন। এই রাসায়নিক সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শুধু নিহতদের শরীরেই নয়, পরিবারের খাওয়া তরমুজের নমুনাতেও একই বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, তরমুজে এই বিষ দুর্ঘটনাবশত মিশেছিল নাকি পরিকল্পিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়েছিল। এদিকে প্রাথমিক ময়নাতদন্তে নিহতদের মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও অন্ত্রসহ বেশ কয়েকটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সবুজাভ হয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, এটি বিষক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি লক্ষণ। আরও জানা গেছে, আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে মরফিনের উপস্থিতিও মিলেছে। মরফিন শক্তিশালী ব্যথানাশক হিসেবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ব্যবহার করা হয়। এটি তার শরীরে কীভাবে এলো—তিনি আগে থেকে কোনও চিকিৎসার অধীনে ছিলেন নাকি অন্য কোনও রহস্য রয়েছে—সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। ওই রাতে নৈশভোজে অংশ নেওয়া অতিথিদের জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। তবে তারা সবাই সুস্থ রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অতিথিরা শুধুমাত্র পোলাও খেয়েছিলেন, তরমুজ খাননি।   সূত্র: এনডিটিভি।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

তরমুজে ইঁদুর মারার বিষ, মুম্বাইয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়

আপডেট সময় ১০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

  তারিখ : ৭ মে ২০২৬ ইং | সময় : রাত ১০:০২ মিনিট।

তরমুজে ইঁদুর মারার বিষ, মুম্বাইয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। প্রথমে এটিকে খাদ্য বিষক্রিয়ার ঘটনা মনে করা হলেও ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, তাদের মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ার কারণে। নিহতদের দেহ এবং তারা যে তরমুজ খেয়েছিলেন সেই ফলের নমুনায় ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত ‘জিঙ্ক ফসফাইট’ নামের একটি বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ৪৫ বছর বয়সী আবদুল্লাহ দোকাদিয়া তার স্ত্রী ৩৫ বছর বয়সী নাসরিন এবং দুই মেয়ে—১৩ বছরের জয়নাব ও ১৬ বছরের আয়েশাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। অতিথিদের জন্য খাসির পোলাও রান্না করা হয়েছিল। নৈশভোজ শেষে আত্মীয়রা চলে যাওয়ার পর রাত প্রায় ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তরমুজ খান। এরপর ভোর ৫টার দিকে পরিবারের সবাই হঠাৎ তীব্র বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরিবারের চার সদস্যই মারা যান। ফরেনসিক তদন্তে চিকিৎসকরা নিহতদের শরীরে জিঙ্ক ফসফাইটের অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন। এই রাসায়নিক সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শুধু নিহতদের শরীরেই নয়, পরিবারের খাওয়া তরমুজের নমুনাতেও একই বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, তরমুজে এই বিষ দুর্ঘটনাবশত মিশেছিল নাকি পরিকল্পিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়েছিল। এদিকে প্রাথমিক ময়নাতদন্তে নিহতদের মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও অন্ত্রসহ বেশ কয়েকটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সবুজাভ হয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, এটি বিষক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি লক্ষণ। আরও জানা গেছে, আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে মরফিনের উপস্থিতিও মিলেছে। মরফিন শক্তিশালী ব্যথানাশক হিসেবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ব্যবহার করা হয়। এটি তার শরীরে কীভাবে এলো—তিনি আগে থেকে কোনও চিকিৎসার অধীনে ছিলেন নাকি অন্য কোনও রহস্য রয়েছে—সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। ওই রাতে নৈশভোজে অংশ নেওয়া অতিথিদের জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। তবে তারা সবাই সুস্থ রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অতিথিরা শুধুমাত্র পোলাও খেয়েছিলেন, তরমুজ খাননি।   সূত্র: এনডিটিভি।    

জেটিভি নিউজ বাংলা

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....