ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

ধোঁকাবাজির স্বর্গরাজ্য এখন অনলাইন ব্যবসা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

ধোঁকাবাজির স্বর্গরাজ্য এখন অনলাইন ব্যবসা

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: সকাল ১১:১৯ মিনিট

দেশজুড়ে অনলাইন ব্যবসার বিস্তার যেমন দ্রুত বাড়ছে, তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু চক্র গড়ে তুলেছে প্রতারণার এক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। চিকিৎসা সেবা, কসমেটিকস, পোশাক, গৃহস্থলীর নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ নানা পণ্যের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত। বিশেষ করে ভুয়া চিকিৎসা সেবা ও অননুমোদিত পণ্য বিক্রির অভিযোগ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সামাজিক মাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে নানা রোগের ‘গ্যারান্টিযুক্ত’ চিকিৎসার দাবি করা হলেও বাস্তবে সেগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা অনুমোদন নেই। এতে একদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কসমেটিকস ও পোশাকের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনলাইনে অর্ডার করার পর নিম্নমানের বা সম্পূর্ণ ভিন্ন পণ্য সরবরাহের অভিযোগ প্রায়শই পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অগ্রিম অর্থ গ্রহণের পর বিক্রেতার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। গৃহস্থলীর বিভিন্ন পণ্য কেনার ক্ষেত্রেও প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতারক চক্রগুলো ভুয়া আইডি, ভুয়া ঠিকানা ও অস্থায়ী মোবাইল নম্বর ব্যবহার করায় তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অভিযোগ করলেও অনেক সময় কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায় না। এতে করে অনলাইন ব্যবসার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অনলাইন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া কঠোর করা, নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা এবং ভোক্তা সুরক্ষা আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে—অপরিচিত পেজ বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনমূলক অফার এড়িয়ে চলা, পণ্য যাচাই করে মূল্য পরিশোধ করা এবং কেনার আগে বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি তদারকি জোরদার ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে, অনলাইন প্রতারণা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ সামাজিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে—যার প্রভাব পড়বে সারাদেশের অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর। এখনই সময় সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার    

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

ধোঁকাবাজির স্বর্গরাজ্য এখন অনলাইন ব্যবসা

আপডেট সময় ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ধোঁকাবাজির স্বর্গরাজ্য এখন অনলাইন ব্যবসা

জেটিভি নিউজ বাংলা

তারিখ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: সকাল ১১:১৯ মিনিট

দেশজুড়ে অনলাইন ব্যবসার বিস্তার যেমন দ্রুত বাড়ছে, তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারণা ও ধোঁকাবাজির ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু চক্র গড়ে তুলেছে প্রতারণার এক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। চিকিৎসা সেবা, কসমেটিকস, পোশাক, গৃহস্থলীর নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ নানা পণ্যের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত। বিশেষ করে ভুয়া চিকিৎসা সেবা ও অননুমোদিত পণ্য বিক্রির অভিযোগ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সামাজিক মাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে নানা রোগের ‘গ্যারান্টিযুক্ত’ চিকিৎসার দাবি করা হলেও বাস্তবে সেগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা অনুমোদন নেই। এতে একদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কসমেটিকস ও পোশাকের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনলাইনে অর্ডার করার পর নিম্নমানের বা সম্পূর্ণ ভিন্ন পণ্য সরবরাহের অভিযোগ প্রায়শই পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অগ্রিম অর্থ গ্রহণের পর বিক্রেতার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। গৃহস্থলীর বিভিন্ন পণ্য কেনার ক্ষেত্রেও প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতারক চক্রগুলো ভুয়া আইডি, ভুয়া ঠিকানা ও অস্থায়ী মোবাইল নম্বর ব্যবহার করায় তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অভিযোগ করলেও অনেক সময় কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায় না। এতে করে অনলাইন ব্যবসার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অনলাইন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া কঠোর করা, নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা এবং ভোক্তা সুরক্ষা আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে—অপরিচিত পেজ বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনমূলক অফার এড়িয়ে চলা, পণ্য যাচাই করে মূল্য পরিশোধ করা এবং কেনার আগে বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি তদারকি জোরদার ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে, অনলাইন প্রতারণা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ সামাজিক সমস্যায় রূপ নিতে পারে—যার প্রভাব পড়বে সারাদেশের অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর। এখনই সময় সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার    

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...