ঢাকা , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মহান শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী: একুশের চেতনায় গণতন্ত্র সুসংহত করার অঙ্গীকার হেমায়েতপুর ফুটপাত: চাঁদাবাজি, জুয়া ও লটারি শ্রমিকদের নিঃস্ব করছে একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের নিরাপত্তা বলয়: সুনির্দিষ্ট কোনো শঙ্কা নেই—ডিএমপি কমিশনার রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না চাঁদাবাজির লাগাম টানতে ও নির্মূল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ: গণতান্ত্রিক সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রমজানজুড়ে বন্ধ সব বিদ্যালয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি আমিনবাজার সেটেলমেন্ট অফিসে অনিয়ম ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কে হচ্ছেন ত্রোয়োদশ সংসদের রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা ঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২:৪৮ পিএম।    কে হচ্ছেন ত্রোয়োদশ সংসদের রাষ্ট্রপতি     জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা আগেই প্রকাশ করেছিলেন। বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জেটিভি নিউজ বাংলাকে জানিয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে সংবিধান অনুযায়ী তাঁকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অসামর্থ্যের কারণেও রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিধান সংবিধানে সংরক্ষিত আছে। সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন। বিএনপির শীর্ষ মহলের ধারণা, নতুন স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। সে ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে না। উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি দায়িত্ব ছাড়তে আগ্রহী। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তাঁকে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। সেই হিসাবে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আরও দুই বছরের বেশি সময় পরে। এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়ে বিএনপির ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়টি বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে বিবেচনায় রয়েছে। আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর নাম। তবে দলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন। মির্জা ফখরুলের পাশাপাশি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান–এর নামও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন–এর নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এসেছে। তবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সবচেয়ে বয়সী সদস্য হওয়ায় বয়সজনিত কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিবেচনায় না-ও নেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার গঠনের পর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী–কে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব নেওয়ার সাত মাসের মাথায় তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ এবং নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে আগামী কয়েক দিনে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।       জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

কে হচ্ছেন ত্রোয়োদশ সংসদের রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জেটিভি নিউজ বাংলা ঢাকা | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২:৪৮ পিএম।    কে হচ্ছেন ত্রোয়োদশ সংসদের রাষ্ট্রপতি     জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছা আগেই প্রকাশ করেছিলেন। বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জেটিভি নিউজ বাংলাকে জানিয়েছে। সূত্রগুলো জানায়, নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে। রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে সংবিধান অনুযায়ী তাঁকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অসামর্থ্যের কারণেও রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিধান সংবিধানে সংরক্ষিত আছে। সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন। বিএনপির শীর্ষ মহলের ধারণা, নতুন স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। সে ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে না। উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, তিনি দায়িত্ব ছাড়তে আগ্রহী। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তাঁকে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। সেই হিসাবে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আরও দুই বছরের বেশি সময় পরে। এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়ে বিএনপির ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়টি বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে বিবেচনায় রয়েছে। আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর নাম। তবে দলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন। মির্জা ফখরুলের পাশাপাশি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান–এর নামও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন–এর নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এসেছে। তবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সবচেয়ে বয়সী সদস্য হওয়ায় বয়সজনিত কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিবেচনায় না-ও নেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার গঠনের পর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী–কে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব নেওয়ার সাত মাসের মাথায় তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ এবং নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে আগামী কয়েক দিনে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।       জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....