ঢাকা , শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মহান শহীদ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী: একুশের চেতনায় গণতন্ত্র সুসংহত করার অঙ্গীকার হেমায়েতপুর ফুটপাত: চাঁদাবাজি, জুয়া ও লটারি শ্রমিকদের নিঃস্ব করছে একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের নিরাপত্তা বলয়: সুনির্দিষ্ট কোনো শঙ্কা নেই—ডিএমপি কমিশনার রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না চাঁদাবাজির লাগাম টানতে ও নির্মূল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ: গণতান্ত্রিক সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রমজানজুড়ে বন্ধ সব বিদ্যালয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটি আমিনবাজার সেটেলমেন্ট অফিসে অনিয়ম ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রায়পুরে অটোচালক হত্যা: চার আসামি গ্রেফতার, পলাতকদের ধরতে অভিযান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: দুপুর ২টা ২৬ মিনিট   রায়পুরে অটোচালক হত্যা: চার আসামি গ্রেফতার, পলাতকদের ধরতে অভিযান   লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের পর অটোচালক সোহাগ হোসেন(২৭) হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ও সোমবার সকালে উপজেলার রাখালিয়া গ্রামে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতার হওয়া চারজন হলেন— নজির (৪৮), হৃদয় (২২), সুজন এবং আরাফাত (২৫)। তারা সবাই সোনাপুর ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী চরবগা গ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংসদ নির্বাচনের রাত থেকে সোহাগ হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর শনিবার দুপুরে সোনাপুর ইউনিয়নের পাটোয়ারী রাস্তার মাথা এলাকায় একটি কলার বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি বালুর স্তূপে চাপা দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহত সোহাগ ওই এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। তার স্ত্রী শাহিনুর বেগম বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সোহাগের সঙ্গে পারিবারিক বা সামাজিক কোনো শত্রুতা ছিল না। তবে তিনি এলাকার কয়েকজন যুবকের সঙ্গে অনলাইনে জুয়ায় জড়িয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, সেই সূত্র ধরেই তাকে হত্যা করে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। রোববার সকালে নিহতের বড় ভাই রাজিব হোসেন রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নজির, হৃদয়, মুরাদ (৩০), আরাফাত, শাহিন (২৬), রাব্বি (২৬) ও সুজনের নাম উল্লেখ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও মাদকসেবনের সঙ্গে যুক্ত। এদিকে ঘটনার পর আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে রোববার বিকেলে নিহতের বাড়ির সামনে ও থানার ফটকে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। মানববন্ধনে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিন মিয়া জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা গ্রহণের পর চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত সবার ভূমিকা স্পষ্ট হবে।       জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাষার জন্য রক্তের বিনিময়: মহান ২১ ফেব্রুয়ারি – শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

রায়পুরে অটোচালক হত্যা: চার আসামি গ্রেফতার, পলাতকদের ধরতে অভিযান

আপডেট সময় ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জেটিভি নিউজ বাংলা তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়: দুপুর ২টা ২৬ মিনিট   রায়পুরে অটোচালক হত্যা: চার আসামি গ্রেফতার, পলাতকদের ধরতে অভিযান   লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের পর অটোচালক সোহাগ হোসেন(২৭) হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ও সোমবার সকালে উপজেলার রাখালিয়া গ্রামে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতার হওয়া চারজন হলেন— নজির (৪৮), হৃদয় (২২), সুজন এবং আরাফাত (২৫)। তারা সবাই সোনাপুর ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী চরবগা গ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংসদ নির্বাচনের রাত থেকে সোহাগ হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর শনিবার দুপুরে সোনাপুর ইউনিয়নের পাটোয়ারী রাস্তার মাথা এলাকায় একটি কলার বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি বালুর স্তূপে চাপা দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহত সোহাগ ওই এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। তার স্ত্রী শাহিনুর বেগম বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সোহাগের সঙ্গে পারিবারিক বা সামাজিক কোনো শত্রুতা ছিল না। তবে তিনি এলাকার কয়েকজন যুবকের সঙ্গে অনলাইনে জুয়ায় জড়িয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, সেই সূত্র ধরেই তাকে হত্যা করে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। রোববার সকালে নিহতের বড় ভাই রাজিব হোসেন রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নজির, হৃদয়, মুরাদ (৩০), আরাফাত, শাহিন (২৬), রাব্বি (২৬) ও সুজনের নাম উল্লেখ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও মাদকসেবনের সঙ্গে যুক্ত। এদিকে ঘটনার পর আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে রোববার বিকেলে নিহতের বাড়ির সামনে ও থানার ফটকে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। মানববন্ধনে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিন মিয়া জেটিভি নিউজ বাংলাকে বলেন, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা গ্রহণের পর চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত সবার ভূমিকা স্পষ্ট হবে।       জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....