ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী বারিধারায় ময়লার ডিপো নিয়ে গুলির ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামি গ্রেফতার, আত্মগোপনে ছিলেন বান্দরবানের রিসোর্টে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাটিচাপা পড়ে নারীর মৃত্যু, ঝুঁকিতে এখনও লাখো শরণার্থী ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জন্মগত জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু আনিফার চিকিৎসায় সরকারি উদ্যোগ, গঠন করা হলো বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড শ্রমিকদের অধিকার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’-এর স্মৃতি, অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলা: আদালতের প্রতি এক আসামির অনাস্থা, সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ জুলাই ইসিতে বিএনপির বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা, বছরে আয় ২২.১৯ কোটি টাকা, উদ্বৃত্ত ৬.৯৩ কোটি

কক্সবাজারে নোটিশ ছাড়াই চেয়ার–টেবিল জব্দ, টাকা লেনদেনের ভিডিওসহ প্রশ্নবিদ্ধ সিটি করপোরেশনের অভিযান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে নোটিশ ছাড়াই চেয়ার–টেবিল জব্দ, টাকা লেনদেনের ভিডিওসহ প্রশ্নবিদ্ধ সিটি করপোরেশনের অভিযান জেটিভি নিউজ বাংলা  📰 বিশেষ অনুসন্ধানী রিপোর্ট, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি ৬:১৯ পিএম।  কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা কলাতলি লাইট হাউজ রোডে কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের আওতাধীন রাস্তার পাশে অবস্থিত দোকান ও হোটেল থেকে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই চেয়ার ও টেবিল জব্দ করার অভিযোগ উঠেছে। সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়িতে করে এসব চেয়ার-টেবিল তুলে নেওয়া হয়, যা ঘিরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, “আমাদের কোনো লিখিত নোটিশ তো দূরের কথা, মৌখিকভাবেও কিছু জানানো হয়নি। হঠাৎ এসে এভাবে মালামাল তুলে নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায়। এটা কেমন বিচার?” প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযানের সময় আয়াছ নামের এক তরুণকে চেয়ার-টেবিল তোলার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো বিষয়টি দীর্ঘক্ষণ পর্যবেক্ষণ করেন জেটিভি নিউজ বাংলা–এর চেয়ারম্যান ও সিইও রুমন জোয়ার্দ্দার জনি। তিনি পুরো ঘটনাটি গোপনে ভিডিও ধারণ করেন এবং এক পর্যায়ে আয়াছের সঙ্গে কথা বলেন। কে বা কার নির্দেশে হঠাৎ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চেয়ার-টেবিল জব্দ করা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে আয়াছ জানান, “ব্যবসায়ীদের রাস্তার ওপর ময়লা ফেলতে নিষেধ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা মানেনি। তাই চেয়ার-টেবিল সরানো হচ্ছে।” পরবর্তীতে রুমন জোয়ার্দ্দার জনি নিজের সাংবাদিক পরিচয় প্রকাশ করলে আয়াছ স্পষ্টভাবে ঘাবড়ে যান। তখন নির্দেশদাতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত তার সিনিয়র সুপারভাইজার সেলিম স্যারের নির্দেশে নেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আরও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে যখন সেলিম স্যারের ফোন নম্বর চাইলে আয়াছ একটি ভুল নম্বর দেন। নম্বর যাচাই করে ভুল প্রমাণিত হলে রুমন জোয়ার্দ্দার জনি তার পেছনে দৌড়ে যান। এ সময় দেখা যায়, আয়াছ তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলে বিষয়টি “ম্যানেজ” করার চেষ্টা করছেন। পরবর্তীতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে সেলিম নামের এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের সুপারভাইজার হিসেবে পরিচয় দেন, তিনি বলেন— “ব্যবসায়ীদের বহুবার মৌখিকভাবে বলা হয়েছে রাস্তা দখল না করতে। তারা কথা না শোনায় বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” তবে ব্যবসায়ীরা এই বক্তব্য সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে জানান, তাদের কাউকে কখনোই এমন কোনো নির্দেশ বা সতর্কতা দেওয়া হয়নি। ঘটনার আরেকটি গুরুতর দিক উঠে এসেছে ভিডিও ফুটেজে। এক পর্যায়ে আয়াছকে একজন ব্যক্তি ১০০ টাকা দিতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ না করে সরে যান। পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের আড়ালে আয়াছ ও এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মধ্যে টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়। এই পুরো দৃশ্যের ভিডিও প্রমাণ জেটিভি নিউজ বাংলা–এর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন সামনে এসেছে— কেন আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে নোটিশ ছাড়াই মালামাল জব্দ করা হলো? দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেন ভুল ফোন নম্বর প্রদান করলেন? ভিডিওতে দেখা টাকা লেনদেনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? এই অভিযান কি নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রম, নাকি অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার? স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জব্দ করা চেয়ার-টেবিল ফেরত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

 

বিস্তারিত আরও আসছে ভিডিও নিউজে...

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রি-কেস বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতায় মামলার প্রবাহ কমছে, মামলাজট নিরসনে মিলছে আশাব্যঞ্জক ফল: আইনমন্ত্রী

কক্সবাজারে নোটিশ ছাড়াই চেয়ার–টেবিল জব্দ, টাকা লেনদেনের ভিডিওসহ প্রশ্নবিদ্ধ সিটি করপোরেশনের অভিযান

আপডেট সময় ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
কক্সবাজারে নোটিশ ছাড়াই চেয়ার–টেবিল জব্দ, টাকা লেনদেনের ভিডিওসহ প্রশ্নবিদ্ধ সিটি করপোরেশনের অভিযান জেটিভি নিউজ বাংলা  📰 বিশেষ অনুসন্ধানী রিপোর্ট, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি ৬:১৯ পিএম।  কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা কলাতলি লাইট হাউজ রোডে কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের আওতাধীন রাস্তার পাশে অবস্থিত দোকান ও হোটেল থেকে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই চেয়ার ও টেবিল জব্দ করার অভিযোগ উঠেছে। সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়িতে করে এসব চেয়ার-টেবিল তুলে নেওয়া হয়, যা ঘিরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, “আমাদের কোনো লিখিত নোটিশ তো দূরের কথা, মৌখিকভাবেও কিছু জানানো হয়নি। হঠাৎ এসে এভাবে মালামাল তুলে নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায়। এটা কেমন বিচার?” প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযানের সময় আয়াছ নামের এক তরুণকে চেয়ার-টেবিল তোলার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো বিষয়টি দীর্ঘক্ষণ পর্যবেক্ষণ করেন জেটিভি নিউজ বাংলা–এর চেয়ারম্যান ও সিইও রুমন জোয়ার্দ্দার জনি। তিনি পুরো ঘটনাটি গোপনে ভিডিও ধারণ করেন এবং এক পর্যায়ে আয়াছের সঙ্গে কথা বলেন। কে বা কার নির্দেশে হঠাৎ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের চেয়ার-টেবিল জব্দ করা হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে আয়াছ জানান, “ব্যবসায়ীদের রাস্তার ওপর ময়লা ফেলতে নিষেধ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা মানেনি। তাই চেয়ার-টেবিল সরানো হচ্ছে।” পরবর্তীতে রুমন জোয়ার্দ্দার জনি নিজের সাংবাদিক পরিচয় প্রকাশ করলে আয়াছ স্পষ্টভাবে ঘাবড়ে যান। তখন নির্দেশদাতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত তার সিনিয়র সুপারভাইজার সেলিম স্যারের নির্দেশে নেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আরও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে যখন সেলিম স্যারের ফোন নম্বর চাইলে আয়াছ একটি ভুল নম্বর দেন। নম্বর যাচাই করে ভুল প্রমাণিত হলে রুমন জোয়ার্দ্দার জনি তার পেছনে দৌড়ে যান। এ সময় দেখা যায়, আয়াছ তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলে বিষয়টি “ম্যানেজ” করার চেষ্টা করছেন। পরবর্তীতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে সেলিম নামের এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের সুপারভাইজার হিসেবে পরিচয় দেন, তিনি বলেন— “ব্যবসায়ীদের বহুবার মৌখিকভাবে বলা হয়েছে রাস্তা দখল না করতে। তারা কথা না শোনায় বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” তবে ব্যবসায়ীরা এই বক্তব্য সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে জানান, তাদের কাউকে কখনোই এমন কোনো নির্দেশ বা সতর্কতা দেওয়া হয়নি। ঘটনার আরেকটি গুরুতর দিক উঠে এসেছে ভিডিও ফুটেজে। এক পর্যায়ে আয়াছকে একজন ব্যক্তি ১০০ টাকা দিতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ না করে সরে যান। পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের আড়ালে আয়াছ ও এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মধ্যে টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়। এই পুরো দৃশ্যের ভিডিও প্রমাণ জেটিভি নিউজ বাংলা–এর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন সামনে এসেছে— কেন আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে নোটিশ ছাড়াই মালামাল জব্দ করা হলো? দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেন ভুল ফোন নম্বর প্রদান করলেন? ভিডিওতে দেখা টাকা লেনদেনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? এই অভিযান কি নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রম, নাকি অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার? স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জব্দ করা চেয়ার-টেবিল ফেরত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ...

 

বিস্তারিত আরও আসছে ভিডিও নিউজে...