ঢাকা
,
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ
রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম
সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন
আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার
দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা
সতেরো বছর পর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন একটি ইতিহাসের নীরব ফিরে আসা
-
Reporter Name - আপডেট সময় ০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
- ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
সতেরো বছর পর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন
একটি ইতিহাসের নীরব ফিরে আসা
জেটিভি নিউজ বাংলা নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি, ১:৪৭ পিএম
সতেরো বছরের দীর্ঘ নির্বাসন শেষে যখন তারেক রহমান ঢাকার আকাশে ফিরলেন, সেটি ছিল কেবল একটি বিমানের অবতরণ নয়—ছিল ইতিহাসের এক নীরব প্রত্যাবর্তন। স্মৃতি, বেদনা ও প্রত্যাশার দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই ফেরা যেন সময়ের সঙ্গে মানুষের অপেক্ষার মিলন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কংক্রিটে পা রাখার মুহূর্তে তিনি শুধু মাটি স্পর্শ করেননি, ছুঁয়েছেন সময়কে, ছুঁয়েছেন অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাসকে। খালি পায়ে ঘাসের পরশে মাতৃভূমির সঙ্গে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেন নিজেকে। সামনে তখন মানুষের ঢল—চোখে জল, হাতে জাতীয় পতাকা, কণ্ঠে স্লোগান। কেউ নাম ধরে ডাকছেন, কেউ নীরবে তাকিয়ে আছেন বিস্ময়ে। হাত নেড়ে তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন সেই ভালোবাসা, যা ভাষায় ধরা যায় না।
যে নিরাপত্তার শঙ্কা ১৭ বছর ধরে ফেরার পথে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল, ঢাকা বিমানবন্দরে নেমেই তা মিলিয়ে যায় জনতার ভালোবাসার ভিড়ে। কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকলেও বাস্তবে মনে হয়েছে—আজ তাকে ঘিরে আছে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, তাকে আগলে রেখেছে পুরো বাংলাদেশ।
বিমানবন্দর থেকে যাত্রার বাসের সামনে ঝুলছিল একটি লেখা—
“সবার আগে বাংলাদেশ”।
এই স্লোগান যেন কেবল শব্দ নয়, যেন মানুষের হৃদয়ের উচ্চারণ। সেই বাসেই শুরু হয় অভ্যর্থনার যাত্রা। রাস্তাজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তাকে একনজর দেখতে হাত তোলে, চোখ ভিজিয়ে স্মৃতির সঙ্গে বর্তমানকে জুড়ে নেয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে তিনি পৌঁছাবেন তারেক মঞ্চে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে, যেখানে তিনি বক্তব্য রাখবেন। এরপর তিনি যাবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে, সেখানে অসুস্থ মা—বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় আছেন। সেখান থেকে তিনি ফিরবেন গুলশানের নিজ বাসভবনে।
এই ফেরা কোনো একক ব্যক্তির নয়। এটি একটি জনপদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরিসমাপ্তি, একটি জাতির আবেগের প্রকাশ। সেদিন যে দৃশ্য তৈরি হয়েছে, তা কেবল ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি নয়—
তা লেখা থাকবে মানুষের হৃদয়ে।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ





















