ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর হামের পর এবার ডেঙ্গুর প্রকোপে বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ, হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত, শাহরাস্তিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি খাল খনন আফতাবনগর প্রকল্পের ভেতরে ২১ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ও উসকানি ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ অনেক নিয়ন্ত্রণে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাড়িবহর ছাড়াই সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ভর্তুকির সার সাগরপথে নিয়মিত মিয়ানমারে পাচার, দুই মাসে জব্দ ৩ হাজার ৩১০ বস্তা

আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

জেটিভি নিউজ বাংলা – 

আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য   প্রকাশকাল: ২ ডিসেম্বর ২০২৫ স্টাফ রিপোর্টার, জেটিভি নিউজ বাংলা   আশুলিয়ায় গত বছরের নৃশংস হত্যাকাণ্ড—ছয় তরুণকে গুলি করে পরে পুলিশের ভ্যানে তুলে পুড়িয়ে হত্যা এবং আরও একজনকে আগের দিন হত্যা করার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ ২৪তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিচ্ছেন তদন্ত কর্মকর্তা জানে আলম খান। ট্রাইব্যুনালের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন। অন্য সদস্য হিসেবে ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। সকাল সোয়া ১১টার দিকে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তার জবানবন্দি ও জেরা শেষ হলেই মামলাটি যুক্তিতর্কে প্রবেশ করবে, যা এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে আছেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সাইমুম রেজা তালুকদারসহ অন্যান্য সদস্য। গত ২৬ নভেম্বর মামলার ২০তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এদিন তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরিয়ান এসআই আনিসুর রহমান পুনঃজবানবন্দি দেন। এর আগের দিন রাজসাক্ষী এসআই শেখ আবজালুল হকের জেরা সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি এ মামলায় একমাত্র দোষ স্বীকারকারী আসামি এবং রাজসাক্ষী হওয়ার অনুমতি পেয়েছেন। ৫ নভেম্বর প্রত্যক্ষদর্শী শাহরিয়ার হোসেন সজিব সাক্ষ্য দেন—তার সামনেই একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং তার বন্ধু সজলকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে ৩০ অক্টোবর গুলিবিদ্ধ ভুক্তভোগী সানি মৃধা সাক্ষ্য দেন, যিনি নিজেও পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছিলেন। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আটজন আসামির মধ্যে রয়েছেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক এএসপি শাহিদুল ইসলাম, ওসি স্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাসহ এসআই ও কনস্টেবল পর্যায়ের সদস্যরা। অপরদিকে সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ আটজন এখনও পলাতক। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয় গত ২১ আগস্ট। অভিযোগপত্রে ৬২ জন সাক্ষী, ১৬৮ পৃষ্ঠার প্রমাণাদি, এবং দুটি ডিজিটাল প্রমাণ (পেনড্রাইভ) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ নিহত হন এবং পরে তাদের লাশ আগুনে পোড়ানো হয়। একজন জীবিত ভুক্তভোগীকেও পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। আগের দিন আরও একজন নিহত হন। ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়।
 

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্রদের চাল ব্যবসায়ীর গুদামে! নাটোরে ৭৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য

আপডেট সময় ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
 

জেটিভি নিউজ বাংলা – 

আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য   প্রকাশকাল: ২ ডিসেম্বর ২০২৫ স্টাফ রিপোর্টার, জেটিভি নিউজ বাংলা   আশুলিয়ায় গত বছরের নৃশংস হত্যাকাণ্ড—ছয় তরুণকে গুলি করে পরে পুলিশের ভ্যানে তুলে পুড়িয়ে হত্যা এবং আরও একজনকে আগের দিন হত্যা করার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ ২৪তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিচ্ছেন তদন্ত কর্মকর্তা জানে আলম খান। ট্রাইব্যুনালের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন। অন্য সদস্য হিসেবে ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। সকাল সোয়া ১১টার দিকে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তার জবানবন্দি ও জেরা শেষ হলেই মামলাটি যুক্তিতর্কে প্রবেশ করবে, যা এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে আছেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সাইমুম রেজা তালুকদারসহ অন্যান্য সদস্য। গত ২৬ নভেম্বর মামলার ২০তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এদিন তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরিয়ান এসআই আনিসুর রহমান পুনঃজবানবন্দি দেন। এর আগের দিন রাজসাক্ষী এসআই শেখ আবজালুল হকের জেরা সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি এ মামলায় একমাত্র দোষ স্বীকারকারী আসামি এবং রাজসাক্ষী হওয়ার অনুমতি পেয়েছেন। ৫ নভেম্বর প্রত্যক্ষদর্শী শাহরিয়ার হোসেন সজিব সাক্ষ্য দেন—তার সামনেই একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান এবং তার বন্ধু সজলকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে ৩০ অক্টোবর গুলিবিদ্ধ ভুক্তভোগী সানি মৃধা সাক্ষ্য দেন, যিনি নিজেও পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছিলেন। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আটজন আসামির মধ্যে রয়েছেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক এএসপি শাহিদুল ইসলাম, ওসি স্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাসহ এসআই ও কনস্টেবল পর্যায়ের সদস্যরা। অপরদিকে সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ আটজন এখনও পলাতক। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয় গত ২১ আগস্ট। অভিযোগপত্রে ৬২ জন সাক্ষী, ১৬৮ পৃষ্ঠার প্রমাণাদি, এবং দুটি ডিজিটাল প্রমাণ (পেনড্রাইভ) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ নিহত হন এবং পরে তাদের লাশ আগুনে পোড়ানো হয়। একজন জীবিত ভুক্তভোগীকেও পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। আগের দিন আরও একজন নিহত হন। ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়।