জেটিভি নিউজ বাংলা
তারিখ: ১৩ জুন ২০২৬ ইং,সময়: দুপুর ০১:৩৫ মিনিট।কক্সবাজার সফরে বাজেট, কৃষিকার্ড ও উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কক্সবাজার, ১৩ জুন: বর্তমান সরকারের বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সরকার সাতটি পণ্যের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার করেছে। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে। অথচ বিরোধী দল সরকারের বাজেটের বিরোধিতা করছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী পাতলীখাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের উন্নয়নের জন্য। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০ হাজার করে কৃষিকার্ড দেওয়া হবে। কারণ, দেশের মানুষ স্বাবলম্বী না হলে বাংলাদেশ কোনোদিন উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে পারবে না। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে কৃষিকার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তারেক রহমান আরও বলেন, “বিএনপি সরকার এই দেশের মালিক নয়, এই দেশের প্রকৃত মালিক দেশের জনগণ। তাই জনগণের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সরকার কাজ করছে। বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাবে।” একই সঙ্গে তিনি জনগণকে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম কক্সবাজার সফর। শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা তাকে স্বাগত জানান। প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী এ সফরে প্রধানমন্ত্রী ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী, পাতলীখাল পুনঃখনন উদ্বোধনের পর তিনি স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে এক পথসভায় বক্তব্য দেন। পরে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর তিনি পেকুয়ায় গিয়ে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একই সফরে পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন তিনি। বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। জনসভা শেষে তিনি কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ পর্যায়ে হোটেল লং বিচের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন তিনি। সব কর্মসূচি শেষে রাত প্রায় ১০টার দিকে আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। দীর্ঘদিন পর এমন উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফরে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার।জেটিভি নিউজ বাংলা
দেশ ও দশের কথা বলে.....

কক্সবাজার প্রতিনিধি 






















