ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে ‘ইলেকশন’ দাবিতে জোর, শেষ মেয়াদের পর শুরু তীব্র আলোচনা রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালে বিরোধীদের ওয়াকআউট, প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার প্রক্রিয়া বহাল, লিভ টু আপিল খারিজ ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় দুই ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা নেই BMDC তবুও তিনি ডাক্তার  তেহরানে নতুন বিমান হামলা: আবাসিক এলাকায় ধ্বংসস্তূপ, নিহত অন্তত ৬ নেতানিয়াহু নিহতের গুঞ্জন: ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, নিশ্চিত নয় আন্তর্জাতিক মহল নারায়ণগঞ্জে এএসআইকে কুপিয়ে পিস্তল ছিনতাই, তিনজন আটক—উদ্ধার অস্ত্র ও গুলি

সাভারে ভুয়া কাগজে বিয়ে ও তালাক বাণিজ্যের অভিযোগ: কাজী ইসরাফিল  হোসেনকে ঘিরে তদন্তের দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

জেটিভি নিউজ বাংলা

| ৫ মার্চ ২০২৬ | সময়:১১:৪৩ মিনিট।

সাভারে ভুয়া কাগজে বিয়ে ও তালাক বাণিজ্যের অভিযোগ: কাজী ইসরাফিল  হোসেনকে ঘিরে তদন্তের দাবি

সাভারের এক কাজী ইসরাফিল–এর বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের বিয়ে পড়ানো এবং দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে পড়া দম্পতিদের তালাকের দিকে প্ররোচিত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও সচেতন মহলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাভার, আশুলিয়া ও মানিকগঞ্জ এলাকায় প্রায় ১০০টির মতো কাজী অফিস রয়েছে । এসব অফিসে কমিশন ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দিয়ে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিয়ে ও তালাকের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। যা পরিচালিত হয়ে আসছে কাজী আউয়াল এর নিয়ন্ত্রনে। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বয়স বাড়িয়ে দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিয়ে পড়ানো হয়। আবার কোনো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কলহ বা পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলেই তাদের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা না করে তালাকের পথে যেতে উৎসাহ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে অনেক সংসার ভেঙে যাচ্ছে এবং এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে শিশু সন্তানরা। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের কারণে তারা অনিশ্চিত ও অসহায় জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর তিনি নিজেকে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে চলাফেরা ও কথাবার্তা বলছেন। সমাজ সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, বাল্যবিবাহ এবং অযৌক্তিক তালাকের মতো বিষয়গুলো সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। তারা মনে করেন, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সচেতন মহলের দাবি, এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সমাজে বাল্যবিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদের প্রবণতা আরও বেড়ে যেতে পারে, যা ভবিষ্যতে সামাজিক কাঠামোর জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।     বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২য় পর্বে কাজী ইসরাফিল হোসেন এর ছবিসহ প্রকাশিত হবে....    

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....

ট্যাগস

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে ‘ইলেকশন’ দাবিতে জোর, শেষ মেয়াদের পর শুরু তীব্র আলোচনা

সাভারে ভুয়া কাগজে বিয়ে ও তালাক বাণিজ্যের অভিযোগ: কাজী ইসরাফিল  হোসেনকে ঘিরে তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

জেটিভি নিউজ বাংলা

| ৫ মার্চ ২০২৬ | সময়:১১:৪৩ মিনিট।

সাভারে ভুয়া কাগজে বিয়ে ও তালাক বাণিজ্যের অভিযোগ: কাজী ইসরাফিল  হোসেনকে ঘিরে তদন্তের দাবি

সাভারের এক কাজী ইসরাফিল–এর বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের বিয়ে পড়ানো এবং দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে পড়া দম্পতিদের তালাকের দিকে প্ররোচিত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও সচেতন মহলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাভার, আশুলিয়া ও মানিকগঞ্জ এলাকায় প্রায় ১০০টির মতো কাজী অফিস রয়েছে । এসব অফিসে কমিশন ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দিয়ে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিয়ে ও তালাকের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। যা পরিচালিত হয়ে আসছে কাজী আউয়াল এর নিয়ন্ত্রনে। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বয়স বাড়িয়ে দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিয়ে পড়ানো হয়। আবার কোনো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কলহ বা পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলেই তাদের মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা না করে তালাকের পথে যেতে উৎসাহ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে অনেক সংসার ভেঙে যাচ্ছে এবং এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে শিশু সন্তানরা। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের কারণে তারা অনিশ্চিত ও অসহায় জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর তিনি নিজেকে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে চলাফেরা ও কথাবার্তা বলছেন। সমাজ সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, বাল্যবিবাহ এবং অযৌক্তিক তালাকের মতো বিষয়গুলো সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। তারা মনে করেন, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সচেতন মহলের দাবি, এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে সমাজে বাল্যবিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদের প্রবণতা আরও বেড়ে যেতে পারে, যা ভবিষ্যতে সামাজিক কাঠামোর জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।     বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২য় পর্বে কাজী ইসরাফিল হোসেন এর ছবিসহ প্রকাশিত হবে....    

জেটিভি নিউজ বাংলা 

সত্য প্রকাশে অঙ্গিকারবদ্ধ....