নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালকে দেশের গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক উল্লেখ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের পথ সুগম হলো। এখন থেকে আর “দিনের ভোট রাতে” হবে না, কিংবা “মৃত মানুষ ভোট দিতে আসবে” না। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের রায় নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, তা দেশের গণতন্ত্রকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। আজকের রায়ে আগের সেই বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরেছে। আগামী সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যেই এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে। বিচারব্যবস্থা রাজনৈতিক প্রভাবিত রায় দেয় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন রায় রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট আর কোন রায় দেশের স্বার্থ, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধারে সহায়ক—তা জাতি বিবেচনা করবে। তিনি আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন। পূর্বের মডেল নাকি জুলাই সনদ অনুসারে—সেটিও তখন পরিষ্কার হবে। আর এই ব্যবস্থার গঠন কী হবে, তা ঠিক করবে পরবর্তী সংসদ। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগ নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করেন এবং ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে সংবিধানে এই ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেন। রায়ে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে ফিরলেও আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কার্যকর হবে।

Reporter Name 






















